নিজের বায়োপিকে দীপিকাকেই চান হেমা মালিনী

সংগৃহীত ছবি
বলিউডের রূপালী পর্দায় দীর্ঘ ৬০ বছর, হীরক জয়ন্তী পার করে ফেললেন এভারগ্রিন ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনী। আর এই বিশেষ মাইলফলক উদযাপনের মঞ্চেই অবধারিতভাবে উঠে এলো তার বায়োপিক বা জীবনীর প্রসঙ্গ।
যদি কখনো পর্দায় হেমা মালিনীর জীবনী তুলে ধরা হয়, তবে তার চরিত্রে কাকে সবচেয়ে বেশি মানাবে? এই প্রশ্নের জবাবে কোনো দ্বিধা না রেখেই হেমা মালিনী বেছে নিলেন বর্তমান প্রজন্মের বলিউড কুইন দীপিকা পাড়ুকোনকে!
ইন্ডাস্ট্রিতে ৬০ বছর পূর্তির এক জমকালো অনুষ্ঠানে হেমা মালিনীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, দীপিকাকে তার বায়োপিকের জন্য আদর্শ মনে হয় কি না? জবাবে মৃদু হেসে হেমা বলেছেন, ‘দীপিকা যদি নিজে চায়, তবে ও অবশ্যই এটা করতে পারে। আসলে যে কেউই করতে পারে, তবে দীপিকা ভীষণ সুন্দরী এবং প্রতিভাবান একটি মেয়ে।’
হঠাৎ করেই যে হেমা মালিনী দীপিকার নাম নিয়েছেন, তা কিন্তু নয়। এই দুই অভিনেত্রীর আত্মিক টান বেশ পুরনো। ২০১৫ সালে হেমা মালিনী যখন তার অফিশিয়াল আত্মজীবনী ‘বিয়ন্ড দ্য ড্রিম গার্ল’ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন বইটি উন্মোচনের জন্য তিনি নিজেই দীপিকা পাড়ুকোনকে বেছে নিয়েছিলেন।
শুধু তাই নয়, দীপিকার ক্যারিয়ারের প্রথম ব্লকবাস্টার ছবি ‘ওম শান্তি ওম’-এর সাথেও জড়িয়ে আছেন হেমা। সেই ছবিতে দীপিকার করা আইকনিক ‘শান্তিপ্রিয়া’ চরিত্রটি মূলত হেমা মালিনীর বাস্তব জীবনের ছায়া অবলম্বনেই তৈরি হয়েছিল, যাকে সিনেমার ভেতরেও ‘ড্রিম গার্ল’ বলে ডাকা হতো।
ইন্ডাস্ট্রিতে ৬০ বছরের এই মহাকাব্যিক জার্নি শেষে সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্ট করেছেন হেমা। তিনি লিখেছেন, ‘কী দারুণ সুসংগঠিত এবং স্মরণীয় একটি অনুষ্ঠান! আমার ডায়মন্ড জুবিলি উৎসব এত জাঁকজমকের সাথে উদযাপিত হবে তা ভাবিনি। আর হলের দর্শকরা যেভাবে আমার পুরনো ছবির গানে মজে ছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত বসে ছিলেন, তা দেখে আমি আপ্লুত।’ এই অনুষ্ঠানে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু ও আশিস শেলার উপস্থিত থেকে হেমা এবং তার স্বামী কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর ভূয়সী প্রশংসা করেন।
১৯৬৮ সালে রাজ কাপুরের বিপরীতে ‘স্বপ্নো কা সওদাগর’ দিয়ে শুরু করে ‘শোলে’, ‘সীতা অউর গীতা’ কিংবা ‘ভাগবান’-এর মতো কালজয়ী ছবি উপহার দেওয়া হেমা মালিনী আজও কোটি ভক্তের হৃদয়ে সমান উজ্জ্বল।
এখন দেখার বিষয়, হেমা মালিনীর সবুজ সংকেত পাওয়ার পর দীপিকা পাড়ুকোন কবে এই ড্রিম গার্লের চরিত্রে বড় পর্দায় হাজির হন!





