Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
৪৮ হাজার শিশুকে বই বিতরণ সোহানের
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিনোদন

এক বইয়ে হলিউডের ৩ রাজার উত্থানের গল্প

বিনোদন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৭:৩৪
এক বইয়ে হলিউডের ৩ রাজার উত্থানের গল্প

স্টিভেন স্পিলবার্গ, ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা এবং জর্জ লুকাস

১৯৬২ সালের কথা। ১৭ বছর বয়সি জর্জ লুকাস একটি হলুদ অটোবিয়াঙ্কি কনভার্টিবল গাড়ি নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার রাস্তায় দুর্ঘটনায় পড়েন। গাড়িটি উল্টে গাছের সঙ্গে লেগে থেমে যায়। পল ফিশারের ‘দ্য লাস্ট কিংস অব হলিউড’ বইয়ে এমন নানা তথ্য উঠে এসেছে।

বইটি জর্জ লুকাস, ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা এবং স্টিভেন স্পিলবার্গকে নিয়ে লেখা হয়েছে। সম্প্রতি ফ্যাবার প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত বইটির তথ্য অনুযায়ী, লুকাসের গাড়িটি এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল যেন ‘একটি নষ্ট করা কোক ক্যান গাছের সঙ্গে লেগে আছে।’ হাসপাতালে দুই সপ্তাহ কাটানোর পর, প্রায় মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে থাকা লুকাস নতুন জীবনদর্শন পেলেন, ‘হয়তো এই দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়ার একটা কারণ আছে, যা সবার ভাগ্যে থাকে না। তিনি এমন কিছু করতে চেয়েছিলেন, যেটা সমাজের জন্য জরুরি ছিল।’

কিংবদন্তি পরিচালক ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা এবং স্টিভেন স্পিলবার্গও হলিউডে এমন নিজস্ব কিছু যন্ত্রণা সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করেছিলেন।

কপোলা ছোটবেলায় পোলিও রোগে এক বছর শয্যাশায়ী ছিলেন, আর স্পিলবার্গকে শৈশব থেকে অ্যান্টিসেমিটিক হয়রানির মধ্যে বড় হতে হয়েছে। ‘অ্যান্টিসেমিটিক’ শব্দের অর্থ হলো ইহুদি জাতি বা ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ বা বৈষম্যপূর্ণ মনোভাব।

‘দ্য লাস্ট কিংস অব হলিউড’ বইটি কিংবদন্তি এই তিন পরিচালকের কাছের লোকদের সাক্ষ্য থেকে তৈরি করা হয়েছে, কারণ তিনজনই সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হননি।

বইটি ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সালের ‘নিউ হলিউড যুগ’কে তুলে ধরে, যখন এই তিন পরিচালক সিনেমার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করে সব রেকর্ড ভেঙেছিলেন এবং পরবর্তী চার দশক ধরে হলিউডের কিং হয়ে আছেন। বইয়ে পরিচালকদের সাহসী দর্শন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, এবং সেই দর্শনের সঙ্গে সমাজের সংঘর্ষ ও প্রভাবের গল্প রয়েছে।

পুরোনো স্টুডিও ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার সময়, কপোলা মারিও পুজোর ‘দ্য গডফাদার’ উপন্যাসকে সর্বকালের সর্বাধিক পুরস্কৃত মাফিয়া চলচ্চিত্রে পরিণত করেন। স্পিলবার্গ মডার্ন ব্লকবাস্টারের মান নির্ধারণ করেন ‘জস’ দিয়ে, আর লুকাস তৈরি করেন ‘স্টার ওয়ার্স’, সিনেমায় একটি কল্পকাহিনীর জগৎ। ফিশার দেখান কীভাবে তারা হলিউডকে নতুনভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন।

দুই কিংবদন্তি কপোলা ও লুকাসের কিভাবে বন্ধুত্ব হয় সেটাও তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৬৮ সালের মিউজিক্যাল ‘ফিনিয়ানস রেইনবো’ ছবির শুটিংয়ে কপোলার সহকারী ছিলেন লুকাস। সেই থেকে কপোলার প্রতি আকৃষ্ট হন লুকাস। দুজনে মিলে তৈরি করেন প্রোডাকশন কোম্পানি ‘আমেরিকান জোয়েট্রোপ’। ‘আপোক্যালিপস নাউ’ এর মতো বিখ্যাত সিনেমা নির্মাণ করেছে এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। কপোলা উদ্যমী ও আবেগপ্রবণ, ক্যামেরার পেছনে থাকতে পছন্দ করতেন, অন্যদিকে লুকাস ছিলেন সংযত, প্রযুক্তিগতভাবে নিখুঁত এবং শুটিং সেটের চেয়ে এডিটিং রুমে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। তবে প্রডাকশন হাউজটি খুব বেশিদিন টেকেনি, ব্যাংক ঋণের জন্য বন্ধ করে দিতে হয়।

১৯৭৬ সালে লুকাসের কাছে কপোলা একটি প্রস্তাব নিয়ে যান, তিনি ‘আপোক্যালিপস নাউ’ পরিচালনা করতে চান। স্ক্রিপ্ট প্রোডাকশন কোম্পানি ‘আমেরিকান জোয়েট্রোপ’ এর নামে নিবন্ধিত ছিল। লুকাস মনে করেছিলেন তিনি ‘স্টার ওয়ার্স’- এর পর এটি পরিচালনা করবেন। শেষ পর্যন্ত লুকাস রাজি হন। লুকাস ছেড়ে দিয়েছিলেন বলেই এমন বিখ্যাত একটি সিনেমা কপোলার পালকে যোগ হয়েছে।

অন্যদিকে ১৯৭১ সালে ‘দ্য গডফাদার’ ছবির সাকসেস পর্টিতে স্পিলবার্গের সঙ্গে লুকাসের পরিচয়। দুজনের প্রথম কাজ ‘স্টার ওয়ার্স’- এর মাধ্যমে, সেখানে কিছুটা সাহায্য করেন স্পিলবার্গ। যার জন্য আজও একটা অংশ লভ্যাংশ পাচ্ছেন তিনি। আর এই রেভিনিউ দিতে লুকাসই যুদ্ধ করেছেন। এতে নাকি কপোলার মোটেও সায় ছিল না। লুকাস মনে করতেন, স্টার ওয়ার্সের ক্ষেত্রে স্পিলবার্গেরও অবদান রয়েছে। স্পিলবার্গ প্রকাশ্যে উদার হলেও ব্যক্তিগতভাবে লুকাসকে নাকি ঈর্ষা করতেন। তিনি বলেছেন, “আমাকে ঈর্ষান্বিত করেছিল ‘আমেরিকান গ্রাফিতি’, আর ‘দ্য গডফাদার’ আমাকে পরিচালক হওয়া ছেড়ে দিতে প্রলুব্ধ করেছিল। কারণ মনে হতো এই সিনেমাগুলোর চেয়ে বেটার কিছু না বানাতে পারলে তিনি বিলীন হয়ে যাবেন।’

এইজন্যই ইন্ডিয়ানা জোনস বানাতে গিয়ে গল্পের জন্য লুকোসের দ্বারস্থ হয়েছেন স্পিলবার্গ।

এই তিন পরিচালক যদি হলিউডের স্বাধীনতা অর্জন করেন, তবে তা সম্ভব হয়েছিল নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের মাধ্যমে। এডিটর মারসিয়া লুকাস, জর্জ লুকাসের সাবেক স্ত্রী, যিনি কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই ‘স্টার ওয়ার্স’– এর মতো সিনেমা সম্পাদনা করেন। অনেকেই বলেন, সম্পাদনা এই সিনেমার অন্যতম মূল স্তম্ভ ছিল। তিনি সিনেমাটির হৃদয় খুঁজে বের করেছেন এবং একটি অস্কার জিতে নেন। কপোলার সহকারী ও বান্ধবী থাকা অবস্থায় মেলিসা ম্যাথিসন লেখেন ‘ইটি’ সিনেমার স্ক্রিপ্ট। যদিও শেষ পর্যন্ত হ্যারিসন ফোর্ডকে বিয়ে করেছিলেন ম্যাথিসন। অন্যদিকে ক্যাথলিন কেনেডির মতো প্রযোজক পেয়েছেন স্পিলবার্গ। তিনিই স্পিলবার্গকে দু:সাহসী সব অভিযানে সঙ্গ দিয়েছেন। স্পিলবার্গের সঙ্গে তিনি ‘আমব্লিন এন্টারটেইনমেন্ট’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে লুকাসের সঙ্গে মিলে তৈরি করেন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘লুকাসফিল্ম’। তিন কিংবদন্তির জীবনে নারীদের অবদানও উল্লেখযোগ্যভাবে তুলে ধরেছেন লেখক ফিশার। যদিও হলিউডের নিউ রেভল্যুশনের একটি অভিযোগও আছে তিন পরিচালককে ঘিরে, ঘনিষ্ঠ নারীদের প্রতিভা ব্যবহার করা হলেও প্রাপ্য কৃতিত্ব দেয়া হয়নি। বইটি তথ্যবহুল কাহিনী, হাস্যকর অনুপ্রেরণামূলক ছোটখাটো ঘটনায় সমৃদ্ধ। যেমন হ্যারিসন ফোর্ড শুটিংয়ে মমস খেতে পছন্দ করতেন, যা দেখে স্পিলবার্গ বিরক্ত হতেন।

শেষ পর্যন্ত, হলিউডের “আত্মার” লড়াইয়ে কে বিজয়ী? স্পিলবার্গ প্রধানধারায় বিজয়ী হন, আমাদের দেন ‘জুরাসিক পার্ক’ থেকে ‘মাইনরিটি রিপোর্ট’ পর্যন্ত অসংখ্য সিনেমা। লুকাস একটা সময় সিনেমা নিয়ে হতাশ হয়ে যান, আর কপোলা ব্যক্তিগত ও আর্থিক অনটনে পড়েছেন বারবার, যা তাকে পিছিয়ে রেখেছে।

সেটা যাই হোক, লুকাস, স্পিলবার্গ ও কপোলা হলিউডের চলচ্চিত্র শিল্পকে পরিবর্তন করেছেন। তবে তারা তাদের স্বপ্ন অনুযায়ী তা বদলাতে পেরেছেন‌কিনা এটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রশ্ন।

সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

হলিউডস্টিভেন স্পিলবার্গফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলাজর্জ লুকাস
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জায়গাটা আলাদা, কিন্তু তাড়নাটা একই

    জায়গাটা আলাদা, কিন্তু তাড়নাটা একই

    ঢাকা ওয়াসা : উন্নতির মহাপরিকল্পনা, ১৪ বছর পেরিয়ে হলো অবনতি

    ঢাকা ওয়াসা : উন্নতির মহাপরিকল্পনা, ১৪ বছর পেরিয়ে হলো অবনতি

    গুরুত্বপূর্ণ তেলপাইপলাইন বন্ধ করল সৌদি, কমান্ডার বহিষ্কার ইরাকের

    গুরুত্বপূর্ণ তেলপাইপলাইন বন্ধ করল সৌদি, কমান্ডার বহিষ্কার ইরাকের

    ব্যর্থ ক্রুইফকে আবারও আনছে বাফুফে!

    ব্যর্থ ক্রুইফকে আবারও আনছে বাফুফে!

    ঘনঘন চোখ লাল হওয়ার জন্য কি অ্যালার্জি দায়ী?

    ঘনঘন চোখ লাল হওয়ার জন্য কি অ্যালার্জি দায়ী?

    বাব আল-মান্দেব হুতিদের কব্জায়, নতুন জটে বিশ্ব জ্বালানি

    বাব আল-মান্দেব হুতিদের কব্জায়, নতুন জটে বিশ্ব জ্বালানি

    জ্যোতিষ ফরিদুর রেজা সাগর

    জ্যোতিষ ফরিদুর রেজা সাগর

    সৌদি-হুতি যুদ্ধে পাকিস্তান কেন দৃশ্যপটে

    সৌদি-হুতি যুদ্ধে পাকিস্তান কেন দৃশ্যপটে

    ৪৮ হাজার শিশুকে বই বিতরণ সোহানের

    ৪৮ হাজার শিশুকে বই বিতরণ সোহানের

    অদ্ভুতুড়ে অনিয়ম চিটাগং ক্লাবে

    অদ্ভুতুড়ে অনিয়ম চিটাগং ক্লাবে

    পিকে হালদারের কুমিরগুলোর এখন কী হবে

    পিকে হালদারের কুমিরগুলোর এখন কী হবে

    ছাত্রশক্তির কেন্দ্র ও ঢাবি শাখার নতুন কমিটি, নেতৃত্বে যারা

    ছাত্রশক্তির কেন্দ্র ও ঢাবি শাখার নতুন কমিটি, নেতৃত্বে যারা

    জেমসের পা ছুঁয়ে সালাম করলেন কলকাতার রূপম ইসলাম

    জেমসের পা ছুঁয়ে সালাম করলেন কলকাতার রূপম ইসলাম

    ওটিটি অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি চান না শ্রিয়া

    ওটিটি অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি চান না শ্রিয়া

    ভারতে ব্রিকসের এই সম্মেলন কেন গুরুত্বপূর্ণ, এজেন্ডায় কী

    ভারতে ব্রিকসের এই সম্মেলন কেন গুরুত্বপূর্ণ, এজেন্ডায় কী