শিবিরের কর্মসূচি দেখে পতিত ছাত্রলীগ স্বস্তি পেয়েছে: রাকিব

ছবি: আগামীর সময়
ছাত্রশিবিরের সর্বশেষ কর্মসূচি দেখে মনে হয়েছে পতিত ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী স্বস্তি পেয়েছে। তারা হয়তো মনে করেছে তাদের জন্য একটি আশ্রয়স্থল তৈরি হয়েছে। আমরা বারবার আহ্বান জানিয়েছি, এ ধরনের রাজনীতি থেকে বিরত থাকতে। বলছিলেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
আজ রবিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে শাখা ছাত্রদলের আয়োজনে ‘স্মরণে জুলাই- ছাত্রদল ও অন্যান্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলছিলেন, ‘ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে যারা দেশবিরোধী ও জনগণের স্বার্থবিরোধী অবস্থান নিয়েছে একদিন জনগণই তাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আপনারা যে নাটক বা রিহার্সাল দেখছেন, সেখানে সামনে কয়েকজনকে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে দেখা যায়। কিন্তু পেছনে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়। তাই সংখ্যায় কম মনে হলেও আমরা জানি ছাত্রলীগের লোকজন আরও রয়েছে।’
তার ভাষ্য, এই প্রজন্মের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে অংশগ্রহণ। যারা জীবন দিয়েছেন, আহত হয়েছেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে। গত দুই বছরে ছাত্রদল দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হল দখল, রুম দখল কিংবা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাধ্য করেনি। ভবিষ্যতে আর কখনো ক্যাম্পাসে দখলদারত্ব ও অপসংস্কৃতির রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না।
তিনি প্রশ্ন করেন, গণঅভ্যুত্থান নিয়ে জামায়াত বা ছাত্রশিবিরের ঘোষিত কর্মসূচি কোথায়? আমরা দেখেছি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারাও প্রকাশ্যে কর্মসূচি দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম ও সৈয়দ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে কীভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করলেও কুৎসা রটানো হয়েছে। এ ধরনের রাজনীতি দুর্ভাগ্যজনক।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশবিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্দিন ও ট্রেজারার অধ্যাপক সাবিনা শারমীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল ও সঞ্চালনা করেন শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন।




