বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা ধারণের আহ্বান ঢাবি উপাচার্যের

সংগৃহীত ছবি
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন দেশ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষককেন্দ্র মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে এ আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে উপাচার্য বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এ দিনে দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে চলা সব চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছিল। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।
তিনি বলেছেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের ক্ষুদ্র ব্যক্তি-স্বার্থ পরিহার করে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার শিক্ষা দেয়। এ দিবসের তাৎপর্য অনুধাবন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম দিবসটির ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরে বলেছেন, এর মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তন হয় এবং উৎপাদনমুখী রাজনীতির সূচনা হয়।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেছেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য অনুধাবন করে আধিপত্যবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিলো— উপাচার্য ভবনসহ সব হল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনাসভা, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদসহ সব হল/ হোস্টেল এবং আবাসিক এলাকার মসজিদে মিলাদ-মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা সভা।
এ ছাড়া, দিবসটি উপলক্ষ্যে নভেম্বর মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে।
সভায় আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



