ইউসেপ ও স্কুটির যৌথ উদ্যোগে টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল ডিপ্লোমা কোর্স শুরু

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য দক্ষ উৎপাদন ব্যবস্থাপক ও সুপারভাইজরি পর্যায়ের পেশাজীবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘প্রফেশনাল ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট’ কোর্স শুরু হয়েছে। ইউসেপ বাংলাদেশ এবং শহীদ খালেক ইউসেপ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট (স্কুটি)-এর যৌথ উদ্যোগে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) মিরপুর-২ নম্বরে অবস্থিত ইউসেপ প্রধান কার্যালয়ের চেইনি হলে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর উদ্বোধন ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়।
ইউসেপ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আবদুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউসেপ বোর্ড অব গভর্নরস-এর সাবেক চেয়ারপারসন এ. মতিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারপারসন ড. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, ইউসেপ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য রানা লায়লা হাফিজ এবং প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির।
সূচনায় কোর্সের উদ্দেশ্য, কাঠামো এবং শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে এর সামঞ্জস্য তুলে ধরেন সংস্থাটির প্রোগ্রাম অ্যান্ড ইনোভেশনস বিভাগের পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবদুল মান্নান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ. মতিন চৌধুরী বলেন, ‘বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে দক্ষ ব্যবস্থাপক ও প্রযুক্তিনির্ভর জনশক্তি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।’
তিনি যোগ করেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দক্ষ উৎপাদন ব্যবস্থাপক তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। এই ডিপ্লোমা কর্মসূচি সে লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর অবদান রাখবে। এ কোর্সে শহীদ খালেক ইউসেপ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট সহায়তা প্রদান করবে বলেও তিনি আশ্বাস ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ড. মো. আবদুল করিম জানান, তারা এমন একটি ডিপ্লোমা কর্মসূচি চালু করেছেন যা সরাসরি শিল্পখাতের দক্ষতার চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কেবল একাডেমিক জ্ঞান নয়, বাস্তব কারখানাভিত্তিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের কর্মক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদানের সক্ষমতা গড়ে তোলাই এই কোর্সের মূল লক্ষ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত এই কোর্সে তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি স্বনামধন্য টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠানে তিন মাসের ইন্টার্নশিপ এবং বাস্তব কর্মপরিবেশে হাতে-কলমে কাজের সুযোগ থাকবে, যা মধ্যম পর্যায়ের পেশাজীবী ও ভবিষ্যৎ উৎপাদন ব্যবস্থাপক তৈরিতে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে যোগ্য নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি ও টিউশন ফি সহায়তার পাশাপাশি মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে। ইউসেপ বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিল্পখাতের প্রতিনিধি ও নতুন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এই উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।





