প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে শুরু মৌসুমি ফল উৎসব

সংগৃহীত ছবি
দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বাড়াতে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী ‘মৌসুমি ফল উৎসব’ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।
সকাল ১১টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। আম, জাম, লিচু, কাউ, কাঁঠাল, লটকনসহ বিভিন্ন দেশীয় ফলের সমারোহে মুখর ছিল আয়োজনস্থল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার প্রফেসর ড. আনোয়ারুল কবির। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার মো. সাকির হোসাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. শহিদুল ইসলাম খান নাঈম, স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর আবুল কালাম, স্কুল অব ল’র ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড অ্যাডমিনের পরিচালক আফরোজা হেলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. জাহেদুর রহমান, প্রক্টর মো. আনিছুর রহমান, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় প্রধান, স্ট্র্যাটেজিক অপারেশন্স অ্যান্ড স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ও প্রধান মুশফিকুর রহমান ধ্রুব এবং পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ও প্রধান জাহিদ হাসান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন প্রজন্মকে দেশের ঐতিহ্য ও শিকড়ের সঙ্গে সংযুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলার খাদ্যসংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ দেশীয় ফল। জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় মাসে আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, লটকনসহ নানা মৌসুমি ফলে ভরে ওঠে দেশের জনপদ। সেই ঐতিহ্য এবং দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিবছরের মতো এবারও এই উৎসবের আয়োজন করেছে।








