ইউএফটিবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সংগৃহীত ছবি
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজিতে (ইউএফটিবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে এ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দা জাকিয়া নাঈমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোক্তার আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেট অব থিংস অ্যান্ড রোবটিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক মো. আশিকুচ্ছালেহীন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আশরাফুজ্জামানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাকিব হোসেন, প্রভাষক মো. মাসুদ রানা, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আতাউর রহমান খান, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. ইউনুছ পাটওয়ারী এবং সহকারী নেটওয়ার্ক অ্যান্ড হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বিমলেশ সাহা।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইন্টারনেট অব থিংস অ্যান্ড রোবটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত আল হুজাইফা ও তাহমিদ হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোক্তার আলী বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছে। এ দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য ও জাতীয় জীবনে এর প্রভাব নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।
তিনি বলেছেন, ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
উপাচার্য বলেন, জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতি একটি রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রার অন্যতম ভিত্তি। মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং দেশের কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তচিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের চর্চা গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।



