আনসার ও ভিডিপিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

সংগৃহীত ছবি
যথাযোগ্য মর্যাদায় ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। আজ শনিবার বাহিনীর সদর দপ্তরসহ দেশ জুড়ে বিভিন্ন ইউনিটে দিবসটি পালন করা হয়।
সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ, দরবার এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দরবার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় সৃষ্ট সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার সংহতি প্রকাশিত হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সেই চেতনা এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষাকে নবজীবন দিয়েছে বলে তার ভাষ্য।
তিনি জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতির ‘পিপলস ওয়্যারফেয়ার ডকট্রিন’ বা গণপ্রতিরক্ষা দর্শনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত ভিডিপি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে নগরজীবন পর্যন্ত নিরাপত্তা, সামাজিক শৃঙ্খলা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির ব্যবহারে বাহিনী প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। ভিডিপি সদস্যদের আর্থিক স্বাবলম্বী হতে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও উসকানি প্রতিহত করে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার জন্য সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান মহাপরিচালক। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে দেশপ্রেম ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বাহিনীটিকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদসহ সদর দপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



