কাপাসিয়ায় লোটোর নতুন উৎপাদন কারখানার যাত্রা শুরু

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশে ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নতুন উৎপাদন কারখানার কার্যক্রম শুরু করেছে ক্রীড়া ও জীবনধারাভিত্তিক পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লোটো বাংলাদেশ। নতুন কারখানায় বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া ও চামড়ার জুতা উৎপাদনের জন্য আধুনিক অবকাঠামো ও উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
এ উপলক্ষে সম্প্রতি ঢাকার গুলশান ক্লাবে গণমাধ্যমকর্মী, ব্যবসায়িক অংশীদার ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লোটো বাংলাদেশের ১৫ বছরের কার্যক্রম, অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বর্তমানে সারা দেশে তাদের ১৩৭টি নিজস্ব এবং ১১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। সব মিলিয়ে বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ২৪৭টি। এ সময়ের মধ্যে এক কোটির বেশি গ্রাহকের কাছে পণ্য পৌঁছেছে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
কাপাসিয়ার নতুন কারখানায় বিভিন্ন ধরনের কৃত্রিম উপাদাননির্ভর ক্রীড়া ও চামড়ার জুতা উৎপাদন করা হবে। এতে উৎপাদন সক্ষমতা ও গুণগত মান বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছে লোটো বাংলাদেশ। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের সম্ভাবনাও দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।
লোটো বাংলাদেশ জানিয়েছে, ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে নতুন পূজা ও শীতকালীন পণ্যসম্ভার বাজারে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় সম্ভাবনাময় তরুণ ও ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক দিকনির্দেশনা, পরিচালনাগত জ্ঞান ও বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে।
লোটো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেছেন, বাংলাদেশে ১৫ বছরের পথচলায় গ্রাহকদের আস্থা প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় শক্তি। আগামী দিনে শুধু বিক্রয়কেন্দ্র ও পণ্যের পরিসর বাড়ানো নয়, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বিকাশ এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগামী দিনে নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি, বিক্রয়কেন্দ্র সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবা উন্নয়ন এবং ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশে কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।



