এলসি ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তিতে শিল্প ও বাণিজ্য পণ্য আমদানি

সংগৃহীত ছবি
নতুন আমদানি নীতি আদেশের আওতায় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ও শিল্প এবং বাণিজ্য পণ্য আমদানিতে শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন আদেশে অনুযায়ী শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে আমদানিযোগ্য সকল পণ্য নির্ধারিত মূল্যসীমা নির্বিশেষে ঋণপত্র খোলা (এলসি) ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানি করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান পরিপালন করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেনে চলতে আজ রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নতুন আমদানি নীতি আদেশের আওতায় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে বিল পরিশোধে স্বাধীন (ওপেন অ্যাকাউন্ট) পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। যা আমদানিকারকদের আমদানি দায় পরিশোধে অধিকতর নমনীয়তা আনবে।
সার্কুলার অনুযায়ী, আমদানি নীতি আদেশ (২০২৬–২০২৯) এর অনুচ্ছেদ ২৫-এর আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে স্থানীয় মুদ্রায় এবং ফ্রি-অফ-কস্ট ভিত্তিতে উৎপাদনের জন্য ব্যবহুত উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবে। এ ছাড়া উৎপাদন উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার প্রযোজ্যতা সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা বলছে, নতুন আমদানি নীতি কাঠামোর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করবে, বাণিজ্য লেনদেনে নমনীয়তা বৃদ্ধি করবে এবং সরলীকৃত সংগ্রহ ও মূল্য পরিশোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে রপ্তানিমুখী শিল্পখাতকে সহায়তা করবে।




