আবাসন খাত উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৬ দফা রিহ্যাবের

সংগৃহীত ছবি
দেশের আবাসন খাতের উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সাধারণ মানুষের আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে ৬ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
আজ বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল আবাসন খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
সাক্ষাৎকালে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এবং মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (দিপু) এমপিসহ রিহ্যাবের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট জানান, জিডিপিতে ১৫ শতাংশ অবদান রাখা এই খাতে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে এবং ৩০০টিরও বেশি লিংকেজ শিল্প এর ওপর নির্ভরশীল। আবাসন খাতকে আরও গতিশীল করতে রিহ্যাবের পক্ষ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত সম্ভাব্য জনসংখ্যা ও চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় ভূমি জোনিং নীতিমালা প্রণয়ন এবং ড্যাপ ও নির্মাণ বিধিমালা সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাট নির্মাণে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেল চালু এবং মধ্যবিত্তের জন্য সিঙ্গেল ডিজিট সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণের বিশেষ স্কিম চালুর আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি নিবন্ধন ব্যয় ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা, জমির মালিকদের ওপর থেকে ১৫ শতাংশ মূলধনী কর প্রত্যাহার এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে প্ল্যান পাস ও রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার দাবি জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিধিদলের প্রস্তাবনাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং জানান যে সরকার একটি পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে। তিনি নগরায়ণকে শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে কৃষিজমি রক্ষা করে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও বিস্তৃত করার ওপর জোর দেন।
পাশাপাশি সরকারের সরাসরি আবাসন ব্যবসা না করে পিপিপি মডেলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে মত দেন। রিহ্যাবের যৌক্তিক দাবিগুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন।




