Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর সেবাই সালমানের নেশা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বাজেট

ভ্যাট-বিনের জাল তৃণমূলে

মিজান চৌধুরী
মিজান চৌধুরী
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০২:০৯
ভ্যাট-বিনের  জাল তৃণমূলে

মুদি দোকান বা ক্ষুদ্রশিল্প— শুরুতেই ঢুকে যেতে হবে ভ্যাটের জালে। কারণ, আগামী অর্থবছরে বাধ্যতামূলক নিতে হবে ‘বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর’ (বিন)। এর অর্থ, একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভ্যাটের আওতায় চলে আসবেন। বর্তমানে এ ধরনের নতুন উদ্যোক্তাকে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ ও ব্যাংকে চলতি হিসাব খুলতে বিন দিতে হয় না। এমন পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) শিল্প খাত থেকে অতিরিক্ত ৬০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী বাজেটে। এ ছাড়া রাজস্ব বাড়াতে দ্বিগুণ করা হচ্ছে উৎসে কর। আর বিদ্যমান সারচার্জ বাতিল  করে প্রবর্তন করা হবে সম্পদ কর। যদিও আবাসন খাতে থাকতে পারে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ। আর কিডনি ডায়ালাইসিস যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর অগ্রিম কর (এটি) প্রত্যাহারের চিন্তা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ওপর নতুন কোনো কর আরোপ হচ্ছে না।

এ ছাড়া আসন্ন বাজেটে বড় ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ও বৈদেশিক ঋণনির্ভরতা বাড়ছে। ঘাটতির অঙ্ক ধরা হয়েছে অনুদানসহ ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি, অনুদান ছাড়া ২ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। আর সম্ভাব্য মোট ব্যয়ের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা (চলতি সংশোধিত বাজেটের তুলনায় দেড় লাখ কোটি টাকা বেশি)। যেখানে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। সম্প্রতি সরকারের অর্থনৈতিক কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, জ্বালানি তেলের অস্থিরতা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ফোকলা ব্যাংক খাত, উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে প্রথম বাজেট দিতে যাচ্ছে নতুন সরকার। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বড় ধরনের ভর্তুকির চাপ নিতে হবে। 

অর্থনীতিবিদদের অভিমত, আগামী বাজেট নতুন সরকারের শুধু একটি আর্থিক দলিল নয়, বরং এটি হয়ে উঠছে অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রথম রাজনৈতিক পরীক্ষা। যেখানে তার মাথায় রাখতে হচ্ছে ভোটার তুষ্টির বিষয়টি।

বিনিয়োগ ও ব্যয় বাড়িয়ে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার করতেই বড় বাজেট দিতে যাচ্ছেন— এমন মন্তব্য অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর। তার মতে, দারিদ্র্য বিমোচন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব নয় বড় বাজেট ছাড়া। অর্থনীতি এখন যে অবস্থায় আছে, তাকে ওপরের দিকে তুলতে না পারলে স্থবিরতা আরও বাড়বে— এমন আশঙ্কায় ভুগছেন তিনি নিজেই।

বড় অঙ্কের ব্যয় মোকাবিলায় আগামী অর্থবছরে ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকার কর রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে, যা চলতি সংশোধিত কর রাজস্বের চেয়ে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা কর আদায় করবে এনবিআর।

রাজস্ব আহরণে রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনার উৎসে কর ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ হতে পারে। যদিও দীর্ঘদিন ধরে রপ্তানিকারকরা ১০ শতাংশ উৎসে কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন। এ ছাড়া অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার ক্ষেত্রে নিয়মিত করহারের চেয়ে কিছু বেশি আরোপ করা হতে পারে, যাতে সৎ করদাতারা বৈষম্যের শিকার না হন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর না বাড়ানো এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর মূল্যচাপ কমিয়ে রাখার চেষ্টা করছে সরকার। কিডনি রোগীর চিকিৎসা ব্যয় কমাতে ডায়ালাইসিস যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর আরোপিত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অগ্রিম কর (এটি) প্রত্যাহারের চিন্তা করছে সরকার। বর্তমান কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিনের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অগ্রিম করসহ মোট করহার দাঁড়ায় ২২ দশমিক ৫ শতাংশ।

আয় বৈষম্য কমাতে বিদ্যমান সারচার্জ পদ্ধতি বাতিল করে ‘সম্পদ কর’ চালু হতে পারে। এ উদ্যোগকে ধনীদের ওপর কর আরোপে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রথম ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত সম্পদ করমুক্ত রাখা হবে। পরবর্তী ২ কোটি টাকার ওপর শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ, এর পরের ৫ কোটি টাকার ওপর শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ এবং তার পরের আরও ৫ কোটি টাকার ওপর শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে কর আরোপের কথা বলা হয়েছে। এর ঊর্ধ্বে অবশিষ্ট সম্পদের ওপর ১ শতাংশ কর আরোপের সুপারিশ রয়েছে।

এদিকে গত কয়েক বছরের ধারাবাহিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ব্যর্থতার পরও এ উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, বাস্তবে তা অর্জন নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একাধিক কর্মকর্তা। তবে ব্যক্তিশ্রেণির সব করদাতার জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিল, আয়কর রিটার্ন সিস্টেম বাধ্যতামূলক এবং আয়কর বিভাগের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত হয়েছে। নানা সংস্কারমুখী উদ্যোগের ফলে আগামী অর্থবছরে আদায় বাড়বে বলে মনে করছে অর্থ বিভাগ।

আয় বাড়াতে রাজস্ব বোর্ডের কার্যক্রম সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ শক্তিশালী’ প্রকল্প গ্রহণ হয়েছে বলে কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিল বৈঠকে জানিয়েছেন অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার। তার মতে, এনবিআর বোর্ডের সম্প্রসারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা ভ্যাট আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে তালিকাভুক্তির সীমা ৫০ লাখ থেকে ৩০ লাখ এবং নিবন্ধনসীমা ৩ কোটি থেকে ৫০ লাখ টাকায় হ্রাস করা হয়েছে। রাজস্ব ফাঁকির ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ, বিদ্যমান ভ্যাট আদায় ও কাঠামো যৌক্তিকীকরণ করা হয়েছে।

পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে গঠিত টাস্কফোর্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কার্যক্রম গ্রহণের ফলে আগামীতে রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন তিনি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কঠিন শর্ত জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে রাখা হচ্ছে এই ঘাটতি বাজেট। সেটি মোকাবিলায় সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ ১ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা, বৈদেশিক ঋণ ১ লাখ ১১ হাজার কোটি ও অনুদান ৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিনের অনিয়ম, ৩০ শতাংশ খেলাপি ঋণ, দুর্বল তদারকি ও রাজনৈতিক প্রভাবে ব্যাংক খাতের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে। তবু সেখানেই সরকারের ভরসা, ব্যাংকঋণের লক্ষ্য ১ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার মোটা অঙ্কের ব্যাংকঋণ গ্রহণের কারণে বেসরকারি খাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

‘নতুন বাজেট সম্ভাব্য ব্যয়ের পুরো টাকা খরচ করতে পারবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সিনিয়র অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ। তিনি আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘বছর শেষে প্রকৃত ব্যয় আরও কম হবে। কারণ, ব্যয় করার সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আছে। তবে ব্যয় করতে গিয়ে আয় করা অর্থাৎ রাজস্ব সংগ্রহ কঠিন হবে।’ এতে ঋণের যে লক্ষ্যমাত্রা, সেটি আরও বেড়ে যাবে। তবে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বড় অঙ্কের এ বাজেট বাস্তবধর্মী নয় বলে তিনি মনে করেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুৎ খাতে ৩৭ হাজার কোটি, গ্যাসে ৬ হাজার ৫০০ কোটি এবং সারে ২৭ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকির সংস্থান রাখা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার ফলে উদ্ভূত বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সারে ভর্তুকি বাবদ অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন হবে বলে মনে করছে অর্থ বিভাগ।

এ ছাড়া স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ওএমএস, টিসিবি ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বছরব্যাপী চলমান রাখা হতে পারে বিবেচনায় খাদ্যে ভর্তুকি বাবদ মোট ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার খাত অনুযায়ী ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন হবে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকারের সুদ বাবদ বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ২১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। কিন্তু প্রকৃত ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ১২৩ কোটি টাকা বা জিডিপির ২ দশমিক ৫০ শতাংশ অর্থাৎ বাজেটের প্রায় ২১ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সুদ বাবদ প্রাক্কলন করা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটের ধাক্কায় মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে— এমন পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এর ধাক্কা বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে। যে কারণে বর্তমান লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ থাকলেও আগামী অর্থবছরে সেখান থেকে বাড়িয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক বছর ধরে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ও আর্থিক নীতি গ্রহণের প্রভাবে সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস পায়। এতে তিন বছর ধরেই জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে ধাক্কা খাচ্ছে। এরপরও আশার আলো দেখছেন অর্থমন্ত্রী। নতুন অর্থবছরে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জনের স্বপ্ন দেখাবেন জাতীয় বাজেটে। যদিও চলতি অর্থবছরে সংশোধিত প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৫ শতাংশ। অবশ্য প্রবৃদ্ধি অর্জনের নিয়ামক হিসেবে সরকারিভাবে ২৩ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা এবং বেসরকারি খাতে ১৪ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অবশ্য বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগের স্থবিরতা এখনো কাটেনি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বিনিয়োগ আনতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ দরকার। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির কারণে যখন অর্থনীতিতে বিনিয়োগ ও চাহিদা কমে গেছে, ঠিক তখনই ব্যয় বাড়িয়ে প্রবৃদ্ধি টেনে তোলার কৌশলে এগোচ্ছে সরকার।

ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আর্থিক খাত পুনর্গঠনের মাধ্যমে শৃঙ্খলা ফেরানোসহ কয়েকটি খাতকে অগ্রাধিকারে রাখা হচ্ছে আসন্ন বাজেটে। এর মধ্যে রয়েছে বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি খাতকে সহায়তা, উন্নয়নের লক্ষ্যে সঠিক প্রকল্প গ্রহণ, সবার কাছে চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া। এ ছাড়া প্রতিবন্ধকতা দূর করে বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় টেকসই উন্নয়নে অভীষ্ট অর্জন, এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছতে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারা ফেরানোসহ বেশ কিছু লক্ষ্য আছে। এদিকে এমন কিছু খাত আছে, যেগুলো মূল অর্থনীতির আওতার বাইরে আছে, সেগুলোকে যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে চলচ্চিত্র, সংগীত শিল্প, স্পোর্টস, গ্রামীণ সংস্কৃতির মতো সৃজনশীল অর্থনীতি বিকাশে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। এসব খাতে সব ধরনের সহায়তা পেলে সেখান থেকে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে।

ভ্যাটমুদি দোকানক্ষুদ্রশিল্পরাজস্বউদ্যোক্তাএসএমই
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি

    টঙ্গীতে গাড়ির ধাক্কায় বাবা ও ছেলে নিহত

    টঙ্গীতে গাড়ির ধাক্কায় বাবা ও ছেলে নিহত

    মামলা হলে আমাকে যেন প্রধান আসামি করা হয় : রুমিন ফারহানা

    মামলা হলে আমাকে যেন প্রধান আসামি করা হয় : রুমিন ফারহানা

    থানার দেড় কিলোমিটার দূরে ছিনতাই, পুলিশ জানল ফেসবুক দেখে

    থানার দেড় কিলোমিটার দূরে ছিনতাই, পুলিশ জানল ফেসবুক দেখে

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু