রিজার্ভ চুরি মামলার আইনি প্রতিষ্ঠান কোজেন ও কন্নরের চুক্তি বাতিল

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সাইবার হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দায়ের করা মামলা পরিচালনার জন্য নিয়োজিত আইনি প্রতিষ্ঠান ‘কোজেন ও কন্নর’-এর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তবে এখনো নতুন কোনো আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়নি। খুব শিগগিরই অভিজ্ঞ ও অর্থ উদ্ধারে সফল কোনো প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের ৪৫২তম পর্ষদ সভায় ‘কোজেন ও কন্নর’-এর সঙ্গে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এখানে সন্দেহের কোনো বিষয় নেই। খুব শিগগিরই অভিজ্ঞ ও অর্থ উদ্ধারে সফল একটি আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হবে।
এর আগে এস আলম-সংশ্লিষ্ট মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনজীবী হিসেবে কুষ্টিয়ার রাগীব রউফ চৌধুরীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন গ্রাহক ও সচেতন নাগরিক সমাজের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এস আলম গ্রুপ ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার অবৈধভাবে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ও দখলের অভিযোগ রয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, কোনো একক পরিবার বা গ্রুপ একটি ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার রাখতে পারে না। তবে এই ক্ষেত্রে ওই বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।
গত সপ্তাহে ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।





