স্বর্ণ, গয়না ও বৈদেশিক মুদ্রা আমদানিতে নতুন নীতিমালা

ফাইল ছবি
স্বর্ণ, রুপা, গয়না ও বৈদেশিক মুদ্রার নোট আমদানিসহ সার্বিক বিষয় সহজ ও আধুনিক করতে নতুন একীভূত নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পুরনো বেশকিছু নির্দেশনা বাতিল করে আমদানির বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধানগুলোকে এক ছাতার নিচে এনে এই হালনাগাদ সার্কুলার জারি করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক বিনিয়োগ ও নীতি বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নতুন এই নীতিমালায় বিকল্প বাণিজ্য অর্থায়ন ব্যবস্থা, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আমদানি দলিল প্রক্রিয়াকরণ এবং আমদানি মূল্য পরিশোধে রপ্তানি আয় সংরক্ষণের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নতুন এই নির্দেশনায় বৈদেশিক মুদ্রায় অভ্যন্তরীণ ঋণপত্র (এলসি), বিশেষায়িত এলাকা ও মুক্তবাণিজ্য অঞ্চলের কার্যক্রমসহ সার্বিক আমদানির নিয়মাবলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর পাশাপাশি অনলাইন রিপোর্টিং, ঋণপত্র খোলার নিয়ম, অনুমোদিত পরিশোধ পদ্ধতি, অগ্রিম অর্থ পাঠানো, বিল অব এন্ট্রি দাখিল, সরবরাহকারী ও ক্রেতার ঋণ এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এলসিসংক্রান্ত বিধানও স্পষ্ট করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, গত এক বছরে জারি করা বিভিন্ন নির্দেশনাকে এক জায়গায় এনে গত বছরের ১৪ আগস্ট জারি করা ‘এফই সার্কুলার নং-৩৩’ হালনাগাদ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে আগের সব পুরনো নির্দেশিকাই বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আমদানিসংক্রান্ত অনলাইন রিপোর্টিংয়ের নিয়ম যথারীতি বহাল থাকবে। বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭-এর ২০(৩) ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এই নতুন নির্দেশনাবলী আজ ১৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে আগামী এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, ডিজিটাল ডকুমেন্টেশন ও বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ রাখা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। তবে এই উদ্যোগের বাস্তব সুফল পেতে ব্যাংকিং খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ডিজিটাল অবকাঠামো জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।







