এলসিসহ বাণিজ্যিক নথি ডিজিটাল যাচাইয়ে নতুন উদ্যোগ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
বৈদেশিক বাণিজ্যের লেনদেন আরও সহজ, নিরাপদ ও আধুনিক করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমদানির ঋণপত্র (এলসি) এবং বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক নথি ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াকরণের জন্য পরীক্ষামূলক একটি কাঠামো (পাইলট ফ্রেমওয়ার্ক) চালু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এর মাধ্যমে অনুমোদিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করিডরে সম্পূর্ণ ডিজিটাল উপায়ে এলসি ও অন্যান্য বাণিজ্যিক নথি আদান-প্রদান, যাচাই-বাছাই এবং প্রক্রিয়াকরণ করা যাবে। এতে বৈদেশিক বাণিজ্যের লেনদেন আরও দ্রুত, নিরাপদ ও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি রপ্তানি-সংক্রান্ত নথি ডিজিটাল করার যে প্রাথমিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, নতুন এই কাঠামোর মাধ্যমে তার পরিধি আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এতে আমদানি ও রপ্তানি—উভয় ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডিজিটালাইজেশন এগিয়ে নেওয়া এবং ট্রেড ফাইন্যান্স বা বাণিজ্য অর্থায়নে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও স্থায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
এতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে আন্তকার্যক্ষম (ইন্টারঅপারেবল) এবং আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য ইলেকট্রনিক ট্রেড ডকুমেন্টেশন ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে।
নতুন কাঠামোর আওতায় ইউনিফর্ম রুলস ফর কালেকশনস (ইউআরসি), ইউনিফর্ম কাস্টমস অ্যান্ড প্র্যাকটিস ফর ডকুমেন্টারি ক্রেডিটস (ইউসিপি) এবং এসবের ইলেকট্রনিক সংস্করণের আওতায় পরিচালিত সব ধরনের আমদানি ও রপ্তানি লেনদেন সম্পন্ন করা যাবে। এর ফলে এলসিসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক নথির আদান-প্রদান ও যাচাই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, নির্ভুল ও আধুনিক হবে।







