সাগরে ট্রলারডুবি: এক জেলের মরদেহ উদ্ধার, এখনও নিখোঁজ ৪

ছবি: আগামীর সময়
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বরগুনার পাঁচ জেলের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে মরদেহটি পাথরঘাটায় নিয়ে আসা হয়।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ডুবে যাওয়া ট্রলারের কাছ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।
মৃত জেলের নাম সাইকুল মীর। তিনি পাথরঘাটা উপজেলার গহরপুর এলাকার বাসিন্দা। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন চার জেলে। তারা হলেন- পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের নুর আলম (৩৭), কাওসার (৩০), ইব্রাহিম (২৮) ও বেল্লাল (২২)।
মরদেহ উদ্ধারকারী দলের সদস্য শাকিল জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেলে সমিতির একটি উদ্ধারকারী ট্রলার ডুবে যাওয়া এফবি বরকতের কাছে পৌঁছায়। এ সময় ট্রলারের কাছ থেকে সাইকুলের মরদেহ ভেসে উঠলে সেটি উদ্ধার করা হয়। তবে সাগরে প্রবল স্রোত থাকায় ডুবে যাওয়া ট্রলারের ভেতরে তল্লাশি চালানো সম্ভব হয়নি।
ট্রলারের মালিক পাথরঘাটা নতুন বাজার এলাকার মো. আশরাফ জানিয়েছেন, উদ্ধারকারী দল ট্রলারের কাছে পৌঁছে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রবল স্রোতের কারণে ট্রলারের ভেতরে প্রবেশ করে তল্লাশি করা যায়নি। সেখানে আরও কোনো মরদেহ থাকতে পারে।
এর আগে গত সোমবার বিকেলে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ‘এফবি বরকত’ ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ১৩ জেলের মধ্যে আটজনকে একটি সমুদ্রগামী ট্রলার উদ্ধার করে। বাকি পাঁচজন নিখোঁজ ছিলেন। পরে সাইকুল মীরের মরদেহ উদ্ধারের পর নিখোঁজ জেলের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে চারজনে।
বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানিয়েছেন, গভীর সমুদ্রে ট্রলারডুবির খবর পাওয়ার পর তারা যোগাযোগের চেষ্টা করেন। যোগাযোগ করতে না পেরে জেলেদের উদ্ধারে দুটি ট্রলার পাঠানো হয়। মঙ্গলবার বিকেলে উদ্ধারকারী দল ডুবে যাওয়া ট্রলারের কাছে পৌঁছে সাইকুলের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি পাথরঘাটায় আনা হয়েছে। দাফনের প্রস্তুতি চলছে। নিখোঁজ চার জেলেকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।







