Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিপদগ্রস্ত রোগীর পাশে জয়
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

ঝিনাইগাতী

বছর যায়, শেষ হয় না পাগলা সেতুর নির্মাণকাজ

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:০৮
বছর যায়, শেষ হয় না পাগলা সেতুর নির্মাণকাজ

ছবি: আগামীর সময়

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর দক্ষিণ দাড়িয়ারপাড় এলাকার পাগলা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ৭৫ মিটার সেতুটির কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। ১৮ মাসের নির্মাণকাল পেরিয়ে গেছে চার বছর, কিন্তু এখনও সেতুটির নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ থাকায় কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে সেতুটির নির্মাণকাজ থেমে আছে। বর্তমানে নদী পারাপারে কোথাও নৌকা, আবার কোথাও বাঁশের তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোই ভরসা। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন, রোগী ও গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত- সব ক্ষেত্রেই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ধানশাইল ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিদ্দিক আলী বলেন, ডেলিভারি রোগী হাসপাতালে নেওয়ার আগেই বাচ্চা হয়ে যায়। অসুস্থ মানুষকে হাসপাতালে নেওয়া যায় না। গ্রামে কেউ বিয়ে করতেও চায় না।

আরও পড়ুন

ইয়াবা বহন, মেঘনায় দুই যুবককে ২০ দিনের কারাদণ্ড

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস (এসইউপিআরবি) প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের আইডিএ অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর শেরপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ধ্রুব ট্রেড এজেন্সি ৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ পায়। সেই থেকেই কাজের সময় গণনা শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ১১ জুনের মধ্যে তা শেষ করার কথা ছিল।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না করে ঠিকাদার সেতুর পাইল ও এক পাশের অ্যাবার্টমেন্টের কিছু কাজ করেই নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। পরে কয়েক দফা সময় বাড়ানো এবং একাধিকবার নোটিশ দেওয়ার পরও কাজ শুরু না হওয়ায় দরপত্র বাতিল করে এলজিইডি। ঠিকাদার তার সম্পন্ন করা কাজের বিপরীতে প্রায় ২০ শতাংশ বিল দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিন দেখা যায়, সেতুর নির্মাণস্থলে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা লোহার রডে মরিচা ধরেছে। এক পাশে নির্মিত অ্যাবার্টমেন্টের বিভিন্ন অংশে শ্যাওলা জমেছে। নির্মাণকাজ থেমে থাকায় সেতুটি কবে নাগাদ আলোর মুখ দেখবে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

পাগলা নদীটি মূলত সোমেশ্বরী নদীর একটি ক্ষীণধারা। স্থানীয়ভাবে এটি পাগলা নদী নামে পরিচিত। ঝিনাইগাতী সদর ইউনিয়নের সারিকালিনগর নামাপাড়া এলাকার আমির আলীর বাড়ি থেকে ধানশাইল ইউনিয়নের সাজু মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত নদী পার হয়ে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। বর্ষায় নদীতে পানি থাকলে নৌকা দিয়ে পার হতে হয়। আর শুষ্ক মৌসুমে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে স্থানীয়দের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো।

সেতু নির্মাণ হলে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষকরা। বর্তমানে উৎপাদিত সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে তাদের অতিরিক্ত শ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

দক্ষিণ দারিয়ারপাড়ের সবজি চাষি সুলতান মিয়া ও মোখলেছুর রহমান জানান, শুকনো মৌসুমে ঘোড়ার গাড়িতে করে গ্রামের দিক থেকে সবজি নদীর পাড়ে আনা হয়। এরপর খাঁচা বা বস্তা মাথায় নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে অপর পাশে নিতে হয়। পরে পিকআপ বা ট্রাকে করে সেসব পণ্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়।

বাগেরভিটা গ্রামের কৃষক নুরুজ্জামান ও মোহনগঞ্জের নূর আলী বলেন, এক মণ সবজি নদীর এক পাশ থেকে অন্য পাশে নিতে ৭০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। শসা, আলু, কুমড়া, লাউ ও বরবটি কোনোভাবে নেওয়া গেলেও চিচিঙ্গা পরিবহনে বড় সমস্যা হয়। সাঁকো পারাপারের সময় চিচিঙ্গা ভেঙে গেলে পাইকাররা তা নিতে চান না।

উত্তর কান্দুলি গ্রামের কৃষক মোয়াজ্জেন আলী বলেন, দক্ষিণ দারিয়ারপাড়, উত্তর কান্দুলি, মাঝাপাড়া, বাগেরভিটা, বেপারীপাড়া, মোহনগঞ্জ বাজারসহ আশপাশের ১০ থেকে ১২ গ্রামের মানুষ বছরের পর বছর এই সমস্যায় ভুগছেন। অধিকাংশ মানুষ কৃষিনির্ভর হওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থার দুরবস্থা সরাসরি তাদের আয়ে প্রভাব ফেলছে।

কৃষক ঠান্ডু মিয়া বলেন, এই অঞ্চলের মানুষ খুব গরিব। ফসল চাষ করে সংসার চলে। কিন্তু একটি সেতু ও ভাঙা রাস্তার জন্য ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না। যানবাহনের সুবিধা না থাকায় এক বস্তা সার তিন ভাগে মাথায় করে বাড়িতে নিতে হয়। এইযে গেল বৃহস্পতিবার একটা শিক্ষার্থী পার হবার সময় দূর্ঘটনা ঘটে। তার পা কেটে গেছে, এখন চিকিৎসাধীন।

শুধু কৃষক নয়, সেতুর অভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে স্থানীয় শিক্ষার্থীরাও। বাঁশের সাঁকো পেরিয়েই তাদের বিদ্যালয়ে যেতে হয়। গত মঙ্গলবার উত্তর কান্দুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আল-আমিন দাদির জন্য ওষুধ কিনতে যাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো করে সাঁকো পার হতে গিয়ে নিচের পানিতে পড়ে যায়।

আল-আমিন জানায়, দাদির ওষুধের জন্য তাড়াতাড়ি সাঁকো পার হতে গিয়ে নিচে পড়ে গেছি। ব্যথা পেয়েছি। আমার মতো অনেক ছেলে-মেয়ে প্রায়ই সাঁকো থেকে নিচে পড়ে যায়।

ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফারহানা পারভীন সম্প্রতি শ্রীবরদী উপজেলায় বদলি হয়েছেন। তিনি জানান, সেতুটি না থাকায় দক্ষিণ দারিয়ারপাড় ও উত্তর কান্দুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। বর্ষায় উজানের পানিতে এলাকা প্লাবিত হলে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যেতে পারে না। আবার শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাঁকো পারাপার ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অনেক অভিভাবক সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে চান না।

ধানশাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মিত হলে এলাকার হাজারো কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসল সহজে বাজারজাত করতে পারবেন এবং ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি ঝিনাইগাতী থেকে শ্রীবরদীর ভটপুর-তাতীহাটি হয়ে কুড়িগ্রামের রৌমারী পর্যন্ত যোগাযোগব্যবস্থাও আরও সহজ হবে।

ঝিনাইগাতী উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী অনতু বল জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ করতে না পারায় দরপত্র বাতিল করা হয়েছে। ঠিকাদার প্রায় ২০ শতাংশ কাজের বিল দাখিল করলেও তা এখনও পরিশোধ করা হয়নি।

তিনি বলেন, নতুন করে প্রাক্কলন তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়ার পর নতুন করে দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

তবে নতুন করে দরপত্র ও নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষ করে সেতুটি কবে নাগাদ সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হবে, সে বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট সময় জানাতে পারেনি এলজিইডি।

ঝিনাইগাতীপাগলা নদীসেতু
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    একদিনে রাজধানীর ৮ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত রিকশাচালক

    একদিনে রাজধানীর ৮ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত রিকশাচালক

    কোটি টাকার বর্জ্য অপসারণের গাড়ি গ্যারেজে কঙ্কাল

    কোটি টাকার বর্জ্য অপসারণের গাড়ি গ্যারেজে কঙ্কাল

    ৬ মাসের সংসার শেষ ৭০ হাজার টাকার বিরোধে

    ৬ মাসের সংসার শেষ ৭০ হাজার টাকার বিরোধে

    মক্কায় আলোচিত যত হামলা

    মক্কায় আলোচিত যত হামলা

    দেশে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হলে দায় জামায়াত-এনসিপির

    দেশে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হলে দায় জামায়াত-এনসিপির

    পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হচ্ছে আজ

    পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হচ্ছে আজ

    ডেঙ্গু থেকে সতর্ক হোন

    ডেঙ্গু থেকে সতর্ক হোন

    অন্যদের লক্ষ্য অর্জন বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

    অন্যদের লক্ষ্য অর্জন বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

    ফুটপাত ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে সেই গোলাপি বেগম

    ফুটপাত ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে সেই গোলাপি বেগম

    গঙ্গা চুক্তি নবায়নে আলোচনা চলবে

    গঙ্গা চুক্তি নবায়নে আলোচনা চলবে

    তদবির করলেই তথ্য উঠে যাবে ব্যক্তিগত নথিতে

    তদবির করলেই তথ্য উঠে যাবে ব্যক্তিগত নথিতে

    তিন সন্তানকে বিষপান করিয়ে বাবারও বিষপান, মৃত্যু ৩ শিশুর

    তিন সন্তানকে বিষপান করিয়ে বাবারও বিষপান, মৃত্যু ৩ শিশুর

    বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের জঙ্গল থেকে নিখোঁজ অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার

    বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের জঙ্গল থেকে নিখোঁজ অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার

    গ্রিনল্যান্ডের ওপর ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের

    গ্রিনল্যান্ডের ওপর ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের

    হোয়াইট হাউজে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প

    হোয়াইট হাউজে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প