টুটুলের কারখানায় মাসে ভার্মি কম্পোস্ট বিক্রি ২০ টন

বেকারত্ব ঘোচাতে বাড়িতে স্বল্প পরিসরে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুরু করেছিলেন গাউসুল আজম টুটুল। এক দশকের ব্যবধানে সেই উদ্যোগ রূপ নিয়েছে বড় জৈব সার কারখানায়। রংপুরের এই উদ্যোক্তার ‘ট্রাইকো কম্পোস্ট’ এখন দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে। তার কারখানায় প্রতি মাসে বিক্রি হচ্ছে ২০ টন সার। কর্মসংস্থান হয়েছে অন্তত ২০ জনের।
নগরীর বুড়িরহাট কোবারু এলাকার বাসিন্দা টুটুল রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ইলেকট্রিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা শেষ করেন। এরপর ২০১৪ সালে বাড়িতে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুরু করেন। চাহিদা বাড়তে থাকায় এবং জমির স্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ২০১৭ সালে বাণিজ্যিকভাবে জৈব সার উৎপাদনে নামেন তিনি।
শুরুতে মুরগির বিষ্ঠা, ছাই, শুকনো গোবর ও কাঠের গুঁড়া দিয়ে সার তৈরি করতেন টুটুল। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে সেই সারের চাহিদা বাড়লে এতে ট্রাইকোডার্মা নামের উপকারী অণুজীব যুক্ত করেন। নতুন এই
কারখানাটিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান। নিয়মিত শ্রমিক নয়ন মিয়া কয়েক বছর ধরে এখানে কাজ করছেন। তার মাসিক বেতন ১৫ হাজার টাকা। অনিয়মিত শ্রমিক মাছুদা
শুধু কারখানার শ্রমিকরাই নন, উপকরণ সরবরাহ করেও আয় করছেন আশপাশের খামারিরা। স্থানীয় খামারি ওয়াসকুরুনি বাবুর ভাষ্য, আগে গরুর গোবর অবহেলায় ফেলে রাখা হতো। এখন টুটুলের কারখানায় প্রতি ট্রলি
কারখানার বাইরে কৃষকদের নিয়েও কাজ করছেন টুটুল। তার ‘কৃষি বাজার’ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের সংগঠিত করে জৈব সার ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। দুই বছর ধরে প্রায় ১



