রংপুরে চার খুন: মরদেহ পড়ে থাকা ছাদে আলামত নষ্টের অভিযোগ

ছবি: আগামীর সময়
রংপুরে চার খুনের ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে আলামত নষ্টের অভিযোগ তুলেছেন অভিযুক্তের স্বজনরা। তবে পুলিশের দাবি, ছাদ ধুয়ে ফেলার জন্য নয়, বরং ভুল করে মোটরের সুইচ চালু হওয়ায় ট্যাংক উপচে পানি পড়ে ছাদ ভিজে যায়। এর আগে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাসের স্বজনরা দাবি করেন, নিহতের বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়েছে। এমন অভিযোগ পেয়ে রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।
গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর বাড়ির লাইট অফ ছিল। সেসময় তিনি দেখেন ছাদ থেকে পানি পড়ছে। বিষয়টি দায়িত্বরত পুলিশকে জিজ্ঞেস করলে তারা জানান, ভুলে সুইচ চাপায় মোটর চালু হয়ে ট্যাংক উপচে পানি পড়ছে। এ সময় পুলিশের ওই সদস্যরা তাকে এটি অন্য কাউকে না জানাতে অনুরোধ করেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে দায়িত্বরত এসআই আব্দুল হাকিম বলেন, ভুল করে মেটারের সুইচ অন করা হয়েছিল। যখন ট্যাংকির পানি ভর্তি হয়ে উপচে পড়ছিল, তখন সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আলামত নষ্টের তথ্য সঠিক না।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কেউ একজন ভুল করে লাইটের সুইচের পরিবর্তে মোটরের সুইচ দেওয়ায় পানি উপচে পড়েছে। মোটর চলছে, পরে পানি পড়া দেখে উপরে গিয়ে আবার বন্ধ করেছে। এখানে অন্য কিছু ঘটেনি।’ এছাড়া আলমত মরদেহ উদ্ধারের সময় সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে গত শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।






