আইনজীবীর সহকারীর সঙ্গে মামলার বাদীর মারামারি, আহত বাদীর স্ত্রী

গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের এজলাস কক্ষ— সংগৃহীত
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ সহকারী জজ আদালতের এজলাসে মামলার বাদী ও এক আইনজীবীর সহকারী (মহুরি) মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মামলার বাদীর স্ত্রী রুনি বেগম (৫৩) আহত হয়েছেন। পরে তাকে গোবিন্দগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আজ সোমবার দুপুরে আদালত চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আহত রুনি বেগম তালুককানুপুর ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের বাসিন্দা বেলাল হোসেনের স্ত্রী।
বেলাল হোসেনের ছেলে রাকিব হাসান জানান, জমিজমা-সংক্রান্ত একটি মামলায় হাজিরা দিতে সোমবার তার বাবা ও মা আদালতে যান।
বেলাল হোসেনের ভাষ্য, মামলার সমন জারির জন্য গত বছর মহুরি সাজ্জাদকে ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপরও সমন জারি হয়নি। এ বিষয়টি নিয়ে এজলাসে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে তার স্ত্রী আহত হন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় রুনি বেগম বাদী হয়ে মহুরি সাজ্জাদকে অভিযুক্ত করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
তবে মহুরি সাজ্জাদ সমন জারির জন্য ৬ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার ভাষ্য, ‘আমি ওই নারীকে মারধর করিনি, বরং পাল্টা আমাকে মারধর করা হয়েছে। এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছি। সুস্থ হয়ে থানায় মামলা করব।’
গোবিন্দগঞ্জ আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক কে এম মাহমুদ হাসান মুন্না বললেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক বলছিলেন, ‘অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রুনি বেগম থানায় বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন জানালে ওসি বললেন, আমি এখনো পাইনি।





