খুলনায় তাঁতি দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবির
খুলনায় পাওনা ১০ হাজার টাকা নিয়ে বচসার জের ধরে মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবিরকে (৫২) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
আজ রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তার নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিল ক্যান্টিনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত সৈয়দ হুমায়ুন কবির নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনের সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে।
নগরীর আড়ংঘাটা থানার ওসি মো. হালিমুর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নগরীর বয়রার মোস্তফার মোড়ের আরাফাতের দোকান থেকে সৈয়দ হুমায়ুন কবির কিস্তিতে একটি ফ্রিজ কেনেন। হুমায়ুন কবিরের কাছে আরাফাতের কিস্তির ১০ হাজার টাকা পাওনা ছিল।
রবিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আরাফাত পাওনা টাকা নিতে হুমায়ুন কবিরের দোকানে আসেন। এ সময় হুমায়ুনের সঙ্গে আরাফাতের তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে আরাফাত ঘটনাস্থল থেকে চলে গিয়ে তার আরও ৩-৪ জন ভাইকে ডেকে নিয়ে আসেন। তারাও হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে পাওনা টাকা নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তারা হুমায়ুন কবিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে চলে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্বজন সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লব অভিযোগ করেন, ছাত্রদল নেতা আরাফাত ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার চাচা হুমায়ুন কবিরের ওপর হামলা করে।
একপর্যায়ে তারা তাকে এলোপাতাড়িভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম চলে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নগরীর আড়ংঘাটা থানার ওসি মো. হালিমুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার সৈয়দ হুমায়ুন কবির ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আরাফাতসহ তার ভাইয়েরা উভয়েই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
ফ্রিজের কিস্তির পাওনা ১০ হাজার টাকা আদায় করাকে কেন্দ্র করে তর্কাতর্কির জের ধরে আরাফাত ও তার ভাইয়েরা হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।




