বাইরে জলাবদ্ধতা, ঘরে নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু

হাতিয়া থানা— সংগৃহীত
পৃথিবীর আলো দেখার অপেক্ষায় একটি নতুন প্রাণ। বাধ সাধলো জলাবদ্ধতা। মারা গেলেন নাজমা আক্তার (৩০) নামে এক প্রসূতি। তার সঙ্গে চিরতরে থেমে গেল অনাগত নবজাতকের জীবন। রাস্তাঘাট ডুবে থাকায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপের এ ঘটনা প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা ও যাতায়াত সংকটের নির্মম বাস্তবতাকে সামনে এনেছে।
আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিঝুমদ্বীপের ইসলামপুর এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা। নিহত নাজমা আক্তার একই গ্রামের মো. হক সাবের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, আজ বৈরী আবহাওয়ায় অস্বাভাবিক জোয়ারে নিঝুমদ্বীপের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত। ইসলামপুর গ্রামের সড়ক ও চলাচলের পথ পানির নিচে। এ অবস্থায় সকালে নাজমা আক্তারের প্রসববেদনা শুরু হলে স্বজনরা তাকে হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু যাতায়াতের একমাত্র নৌকাটি ভাঙা থাকায় এবং জলাবদ্ধতার কারণে তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে ঘরেই প্রসবের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অনাগত নবজাতকসহ তার মৃত্যু হয়।
যোগাযোগ করা হলে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বললেন, ‘নিঝুমদ্বীপে চিকিৎসাসেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’





