জনগণের অধিকার আদায়ে বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমেছি: শফিকুর রহমান

বগুড়া সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষ ভালো নেই। বিদ্যুৎ ও সারের সংকটে মানুষ কষ্টে আছে। এসব কথা জাতীয় সংসদে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও সরকার তাদের কথা বলতে দিচ্ছে না।
আজ শনিবার সকালে বগুড়ার ধুনট উপজেলার মানিকপোটল (মরিচতলা) গ্রামে ইসলামি শিক্ষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ হিসেবে পরিচিত আব্দুল মালেকের কবর জিয়ারত শেষে স্থানীয় মাদরাসায় আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, ‘আমরা জনগণের কষ্টের কথা জাতীয় সংসদে বলার চেষ্টা করছি। কিন্তু সরকার আমাদের কথা বলতে দিচ্ছে না। বাধ্য হয়ে জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি।’
এর আগে সকালে তিনি আব্দুল মালেকের কবর জিয়ারত করেন। পরে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
ডা. শফিকুর রহমানের আগমন উপলক্ষে সকাল থেকেই মাদরাসা মাঠে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। মানিকপোটল (মরিচতলা) গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত মানুষের অভিবাদনের জবাব দেন।
সংসদে প্রত্যেক সদস্যের বক্তব্যের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি : ডা. শফিকুর রহমান
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম, নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ধুনট উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শুক্রবার রাতে বগুড়ায় পৌঁছে সার্কিট হাউজে রাতযাপন করেন ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার সকাল সোয়া ৫টার দিকে তিনি সার্কিট হাউজ থেকে ধুনটের উদ্দেশে রওনা হন।
কবর জিয়ারত শেষে বগুড়া সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কথা রয়েছে তার। পরে দুপুর ১২টায় বগুড়া জেলা ও মহানগর জামায়াতের রুকন সম্মেলনে যোগ দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, আব্দুল মালেক ১৯৬৯ সালের ১৫ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ইসলামি ছাত্র আন্দোলনে নিহত হন। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রসংঘের সভাপতি ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি বগুড়ার ধুনট উপজেলার মানিকপোটল গ্রামে।




