‘২০০ টাকার ভাড়া হাজারে’, বাস ছেড়ে তাই ট্রাকে

পরিবার নিয়ে ঈদ করতে যাচ্ছেন কুড়িগ্রাম। বাসের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন ভোগড়া বাইপাস এলাকায়। কয়েকটি বাস চলে গেলেও শেষ পর্যন্ত স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ট্রাকে উঠে পড়লেন রমজান আলী।
কারণ জানতে চাইলে বললেন, ‘গত ঈদে বাড়ি যেতে পারিনি। মা-বাবার সঙ্গে ঈদ করতেই এবার ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকে উঠেছি। বাসে সিটও নেই, আবার ভাড়াও অনেক বেশি। ট্রাক ভাড়া তুলনামূলক কম হওয়ায় এভাবেই যেতে হচ্ছে।’
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে আজ বুধবার অনেককেই দেখা গেছে ট্রাকে বা পিকআপ ভ্যানে উঠতে। সবারই এক কথা, বাসে ভাড়া চাওয়া হচ্ছে দ্বিগুণের বেশি।
চন্দ্রা এলাকায় সিরাজগঞ্জগামী যাত্রী স্বপন মিয়ার অভিযোগ, ‘সাধারণ সময়ে ২০০-৩০০ টাকার ভাড়া এই রাস্তায়। এখন একই রুটে ১ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে।’
বুধবার সকাল থেকেই মহাসড়কটিতে যানবাহনের জটলা। তার ওপর ভারী বৃষ্টি। এ কারণে গাড়িও চলছে ধীরগতিতে। এর মধ্যে বাড়তি ভাড়ায় নাকাল যাত্রীরা।
মহাসড়কের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে, দূরপাল্লার বাসগুলো যাত্রী তুলতে ডাকাডাকি করছে। তবে অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেক যাত্রী প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। বাসে না উঠে অন্য পরিবহনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। অনেকে অবশ্য বাধ্য হয়ে বাড়তি ভাড়া দিয়েই বাসে উঠছেন।
নাটোরগামী পোশাক শ্রমিক জুলেখা খাতুন বললেন, ‘যে ভাড়া ৩০০-৪০০ টাকা হওয়ার কথা, সেখানে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। বাধ্য হয়েই অপেক্ষা করছি।’
নাওজোড় হাইওয়ে থানার ওসি শওগাতুল আলম বলেছেন, ‘দুপুরের পর চাপ কিছুটা কমে আসবে বলে আশা করছি। ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’






