গাছ থেকে আম পাড়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৫

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় আম পাড়াকে কেন্দ্র করে বিবাদে জড়ায় দুই ভাইয়ের স্ত্রী। পরে সেই বিবাদ থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পরিবার। এতে আহত হয় অন্তত পাঁচজন।
সোমবার দুপুরে উপজেলার উত্তর বলরামপুর গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার বাড়িতে ঘটে এ ঘটনা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, নিজের গাছ থেকে আম পাড়তে গাছে ওঠেন মৃত হাবিবুর রহমানের ছোট ছেলে মো. আলম। এ সময় বড় ভাই মোস্তফার ছেলে রামিন গাছে ওঠতে চাইলে তাকে বাধা দেন তিনি। এ নিয়ে প্রথমে আলমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার ও তার বড় ভাবি তাছলিমা বেগমের মধ্যে শুরু হয় কথা-কাটাকাটি। একপর্যায়ে তা রূপ নেয় হাতাহাতিতে।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ঘর থেকে একটি বটি নিয়ে আসে রামিন। পরে বটি নিয়ে টানাহেঁচড়ার সময় দুই নারীর হাত কেটে যায়। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে আলম গাছ থেকে নেমে মারধর করেন ভাতিজা রামিনকে। এ সময় রামিনকে ছাড়াতে গেলে তার বোন মারিয়া ও মা তাছলিমা বেগমও আহত হন।
একপর্যায়ে আত্মরক্ষার চেষ্টায় পাশে থাকা একটি বাঁশ দিয়ে আলমকে আঘাত করেন তাছলিমা বেগম। এতে গুরুতর আঘাত লাগে আলমের অণ্ডকোষে।
আহত আলমের দাবি, তার বোনদের কাছ থেকে বাড়ির অংশ কিনে নিয়েছেন তিনি এবং গাছের আম আগেও দিয়েছেন সবাইকে। বোনদের দেওয়ার জন্য আম পাড়তে গাছে ওঠেছিলেন সোমবার। ভাতিজা রামিন জোর করে গাছে উঠতে চাইলে বাধা দেওয়ায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে তার স্ত্রীকে মারধর ও বটি দিয়ে আঘাত করে। স্ত্রীকে রক্ষা করতে গেলে তাকে বাঁশ দিয়ে আঘাত করেন ভাবি।
অন্যদিকে আহত তাছলিমা বেগমের অভিযোগ, পরিবার আলাদা হলেও ফলের গাছগুলো রাখা হয়েছিল এজমালি। আগের দিনও তার ছেলে রামিন আম পাড়েছিল। সোমবার আবার আম পাড়তে গেলে আলমের স্ত্রী তার ছেলেকে মারধর করেন। পরে তিনি ও তার মেয়ে এগিয়ে গেলে আলম তাদের ওপর হামলা চালান এবং রামিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্যের। তবে এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।




