প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘কটূক্তি’, এনসিপি নেতাকে জেলগেটে জেরার নির্দেশ

এনসিপি নেতা আনোয়ার হোসেন
প্রধানমন্ত্রীর নামে মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের মামলায় এনসিপি নেতা আনোয়ার হোসেনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আরেক আসামি আনোয়ারের ভাই ইমাম হোসেনকে জামিন দেওয়া হয়েছে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল হক এ আদেশ দেন। নিশ্চিত করেছেন জেলা জজ আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) আব্দুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারি।
তিনি বলেছেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রায়পুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুব আলম আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে দণ্ডবিধি ও সাইবার সুরক্ষা আইনে হওয়া মামলার প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেনকে এক দিনের জন্য জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালত।
অভিযুক্ত আনোয়ার জাতীয় নাগরিক পার্টির শ্রমিকশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক। তিনি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
মামলার বাদী রুহুল আমিন সোনাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি চরবগা গ্রামের শফিক আহম্মদের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য ফেসবুক আইডিতে প্রচার করেন আনোয়ার। এছাড়া শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম নিয়েও অবমাননাকর ছবি দেন ফেসবুকে। এসব ঘটনায় এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
ঈদ উপলক্ষে আনোয়ার নিজ গ্রাম সোনাপুরে এলে গত ৩০ মে রাতে ফেসবুকে প্রচারিত বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে চান যুবদল নেতা রুহুল আমিন ও অন্যরা। এ সময় আনোয়ার ও তার সহযোগীরা তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে বাদীকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে উল্লেখ আছে মামলায়।
ওই রাতেই স্থানীয় লোকজন আনোয়ারকে আটক করে মারধরের পর পুলিশে হস্তান্তর করেন। পরদিন দুপুরে রুহুল আমিন রায়পুর থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করেন।
মামলায় আনোয়ার ও তার তিন ভাইয়ের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় আরও চারজনকে করা হয়েছে আসামি।





