কক্সবাজার রুটে চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন : হাবিবুর রশিদ

রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ
সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, যাত্রীসেবা আধুনিকায়ন করার জন্য কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। এ রুটে মহানগর এক্সপ্রেস চালু পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আজ শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাংয়ে রেলপথের বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, কক্সবাজারের দৃষ্টিনন্দন আইকনিক স্টেশনটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অবকাঠামো। এটি বেসরকারি খাতে পরিচালনা করা কতটা বাস্তবসম্মত, পরিচালনা পর্ষদের সক্ষমতা কেমন হবে। যাত্রীসেবার মান কতখানি উন্নত করা সম্ভব মূলত সেটি যাচাই করতেই আমাদের এ সফর। স্টেশনের বিদ্যমান সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনাও গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী জানালেন, দোহাজারী-কক্সবাজার ১০২ কিলোমিটারের দীর্ঘ রেলপথ নির্মাণের সময় প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার গাছ কাটতে হয়েছিল। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইতোমধ্যে রোপণ করা গাছগুলোর বর্তমান অবস্থান পরিদর্শন করেছি। পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য একটি দেশের মোট ভূখণ্ডের অন্তত ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল থাকা জরুরি। রেলপথের দুই পাশে নতুন করে সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণের জায়গা চিহ্নিত করে কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও হারবাংসহ এই লাইনের সকল স্টেশনে আধুনিক আলোকসজ্জা নিশ্চিত করা হবে। যাত্রীদের নিশ্চিন্তে যাতায়াতের জন্য রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা দেন, এ অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধার্থে এ রুটে মহানগর এক্সপ্রেসের আরও এক জোড়া ট্রেন চালু করা হবে। চকরিয়াসহ আশপাশের যাত্রীরা খুব সহজেই চট্টগ্রামে পৌঁছে রাজধানীমুখী ট্রেনগুলোর সঙ্গে ট্রানজিট সংযোগ তৈরি করতে পারবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) সবুক্তগীন মাহমুদ, কক্সবাজার রেল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) এরশাদুল হক, তমা কনস্ট্রাকশনের প্রকল্প পরিচালক বিমল সাহা, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার ও চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান প্রমুখ।




