হবিগঞ্জ
প্রতিদিন তিন ঘণ্টা বন্ধ সিএনজি ফিলিং স্টেশন

ছবি: আগামীর সময়
হবিগঞ্জ জেলা সদরে প্রতি মাসে বাসাবাড়ি, শিল্প-কারখানা ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনে প্রায় ৫ হাজার ৮২০ মিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে। এর বাজারমূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা।
জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের (জেজিটিডিএসএল) হবিগঞ্জ সদর কার্যালয় থেকে ১৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, চারটি ক্যাপটিভ পাওয়ার, চারটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন, ৯৫টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং সিঙ্গেল ও ডাবল বার্নার মিলিয়ে ৮ হাজার ৭৬৮টি আবাসিক সংযোগে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। সদর উপজেলায় প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৩ হাজার ২২৩ কিলোমিটার বিতরণ লাইন রয়েছে।
জেজিটিডিএসএলের হবিগঞ্জ সদর কার্যালয়ের বিক্রয়প্রধান আলী আক্কাস বললেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাস সংকটের খবর থাকলেও হবিগঞ্জে সরবরাহ স্বাভাবিক। মাসিক প্রায় ১৬ কোটি টাকার গ্যাস বিক্রির মধ্যে চারটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকেই আসে প্রায় চার কোটি টাকা, যা মোট বিক্রয়ের ২৫ শতাংশ। আবাসিক ও বাণিজ্যিক খাত থেকে আসে প্রায় আড়াই কোটি টাকা। বাকি আয় শিল্প ও ক্যাপটিভ পাওয়ার সংযোগ থেকে।
জেজিটিডিএসএল পেট্রোবাংলার মাধ্যমে হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড ও গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল) থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে গ্রাহকদের সরবরাহ করে। এ সেবার বিপরীতে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসে গ্রতিষ্ঠানটি ১৩ পয়সা কমিশন পায়।
আলী আক্কাস বললেন, সদর কার্যালয়ের আওতাধীন সব গ্রাহকই ২৪ ঘণ্টা গ্যাস পাচ্ছেন। তবে ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা চারটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়।




