শিশু নিপীড়ন : জামিন পেলেন না টঙ্গীর সেই মাদ্রাসাশিক্ষক

গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মোসলেম উদ্দিনের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রবিবার দুপুরে গাজীপুর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটিন ম্যাজিস্ট্রেট ওমর হায়দারের আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আগামীর সময়কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী পক্ষের নিযুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন।
তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার টঙ্গী পশ্চিম থানায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের কাছে ওই দিন বিকালে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, গত ১৯ অক্টোবর টঙ্গীর মাদ্রাসার নিচতলার সিঁড়িতে প্রথম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করা হয়। ঘটনার পর শিশুটি মাদ্রাসায় যেতে চাইছিল না। পরিবারের সদস্যরা কারণ জানতে চাইলে প্রথমে সে কিছু বলেনি। পরে মা-বাবার জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার কথা জানায়।
এরপর ২১ অক্টোবর দুপুরে শিশুটির স্বজনরা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে শিক্ষককে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ ও মারধরের ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে দেশ জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে ক্বরিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষও শিশুটির বাবাকে আসামি করে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি মামলা করেছে।




