লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে ব্র্যাক কর্মীর মৃত্যু, আটক ২

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
কুমিল্লার লাকসামে দ্রুতগতির লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে মো. ইয়াছিন মিয়া (৩৬) নামের ব্র্যাকের এক মাঠ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের লাকসাম উপজেলার বাটিয়াভিটা এলাকার ঘটনা এটি। এ ঘটনায় লরির চালক ও সহকারীকে আটক করেছে পুলিশ। জব্দ করা হয়েছে লরি ও মোটরসাইকেলটি।
নিহত ইয়াছিন মিয়া কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার মান্দ্রা গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে। তিনি ব্র্যাকের কুমিল্লার বিজয়পুর শাখায় মাঠ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আটকৃতরা হলেন- লরির চালক ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার উলসাপাড়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে তোফাজ্জল (৪৫) এবং সহকারী জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দপুর গ্রামের এনামুল হকের ছেলে মেহেদী হাসান (২১)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে ইয়াছিন মোটরসাইকেলে করে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। বাটিয়াভিটা এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে ১৪ চাকার একটি লরি (ঢাকা মেট্রো-ঢ-৬২-০০১৪) তার মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়েন। এ সময় লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন লরির চালক ও সহকারীকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন। পরে লাকসাম ক্রসিং হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
লাকসাম ক্রসিং হাইওয়ে থানার ওসি চন্দন কান্তি দাস শুক্রবার রাত ৯টার দিকে দুর্ঘটনায় ইয়াছিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, লরির চালক তোফাজ্জল ও সহকারী মেহেদী হাসানকে আটক করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত লরি ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে।
ইয়াছিনের আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।




