বিয়ানীবাজারে পা বাঁধা অবস্থায় অটোচালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ছবি: আগামীর সময়
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় শামীম আহমদ ধনু (৪৭) নামে এক অটোচালকের পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মরদেহের দুই পায়ে দড়ি বাঁধা থাকায় এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আজ সোমবার সকালে উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের বারইগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের কবরস্থান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শামীম আহমদ ওই গ্রামের শুক্কুর আলীর ছেলে।
জানা গেছে, গতকাল রবিবার রাত ১০টার দিকে শামীম তার অটোরিকশা গ্যারেজে রেখে বাড়ি ফেরেন। রাতের খাবার খাওয়ার পর তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। পরদিন সকালে কবরস্থানে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।
ঘটনাস্থলে থাকা বিয়ানীবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মহি উদ্দিন জানিয়েছেন, নিহতের শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, শামীমের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। তার ব্যবহৃত সিএনজিও গ্যারেজে রাখা রয়েছে। তিনি দুই ছেলে ও তিন কন্যা সন্তানের জনক।
বিয়ানীবাজার থানার ওসি মো. ওমর ফারুক বলেছেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বিয়ানীবাজারের পাশাপাশি এলাকায় দুটি ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এর আগে রবিবার বিকালে পৌরসভার খাসাড়িপাড়া গ্রামে সাদিকুল ইসলাম রুপক নামে এক যুবকের হাত বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একদিন পর শামীম আহমদের পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় দুটি মৃত্যুর ঘটনাই স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তবে দুটি ঘটনাই হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।




