পল্লী উন্নয়নই দেশের অগ্রগতির ভিত্তি: ভূমিমন্ত্রী

ছবি: আগামীর সময়
পল্লী উন্নয়নই দেশের অগ্রগতির ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেছেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পল্লী অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলা।
আজ সোমবার সকালে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।
ভূমিমন্ত্রী জানান, পল্লী উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
তার ভাষ্য, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
এর আগে ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে থেকে বের করা হয় একটি বর্ণাঢ্য র্যালি।
র্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, পল্লী উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সমবায় সংগঠনের সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।
সভাপতির বক্তব্যে ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। তিনি সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা কৃষি, সমবায়, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বিত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে সফল সুফলভোগীদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া দিবসটি ঘিরে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।



