টেকনাফ সীমান্তে ৫ লাখ ইয়াবাসহ দুই মিয়ানমার নাগরিক আটক

সংগৃহীত ছবি
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং সীমান্ত এলাকা থেকে পাঁচ লাখ পিস ইয়াবাসহ মিয়ানমারের দুই নাগরিককে আটক করেছে র্যাব। র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মিয়ানমারের মাদক চোরাকারবারি চক্রের সদস্য। তারা সীমান্ত পেরিয়ে ইয়াবার বড় চালানটি বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিল।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-১৫ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীটির কর্মকর্তারা।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মংডু থানার ভুসিডং জেলার হায়েংখালী গ্রামের মো. সাজেদ (৩২) এবং দলিয়াপাড়া গ্রামের এনামুল হাসান (৩৩)।
র্যাব সূত্র বলছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, মিয়ানমারের একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্র বিপুল ইয়াবা নিয়ে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের সাবরাং খালের দক্ষিণ পাশে মন্ডলপাড়া এলাকায় মো. কবির হোসেনের জমিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ইয়াবার চালান নিয়ে দেশে প্রবেশকালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন চোরাকারবারি পালানোর চেষ্টা করে।
র্যাব সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে মিয়ানমারের দুই নাগরিককে আটক করতে সক্ষম হন। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাত ব্যক্তি পালিয়ে যায়। তাদের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র্যাব জানিয়েছে, তারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালানটি বাংলাদেশে নিয়ে আসে। পরে তাদের কাছ থেকে মোট পাঁচ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
আটক এই দুই মাদক কারবারির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক।
তার ভাষ্য, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক মাদক চক্রগুলো নিয়মিত ইয়াবা বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করছে। এসব মাদক পরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে, যা তরুণ সমাজকে বিপথগামী করার পাশাপাশি নানা অপরাধ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।
এ কারণে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।






