বিদ্যুৎ বিল বকেয়া, ফায়ার সার্ভিসসহ ৫ প্রতিষ্ঠানের সংযোগ বিচ্ছিন্ন

কুলিয়ারচর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন। ছবি: আগামীর সময়
কিশোরগঞ্জে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার দুপুরে কুলিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মোট প্রায় ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৪ টাকা বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের তথ্য পাওয়া যায়।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, কুলিয়ারচর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের দুই অর্থবছরের মোট বকেয়া ২ লাখ ১৯ হাজার ২৮৮ টাকা। এর মধ্যে একটি অর্থবছরে বকেয়া রয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা এবং অন্য অর্থবছরে ৮৪ হাজার ৬০৮ টাকা।
এ ছাড়া অভিযানে একটি ওয়ার্কশপের ৪৮ হাজার ৮১, একটি পোল্ট্রি ফার্মের ১ লাখ ৮ হাজার ৫৮১ এবং দুটি কয়েল ফ্যাক্টরির মোট ৫ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ টাকা বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের তথ্য পাওয়া যায়। এসব প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ময়মনসিংহের বাণিজ্যিক পরিচালন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক আতাউর রহমান ও আঞ্চলিক হিসাব দপ্তরের উপপরিচালক সত্যজিৎ সরকার।
অগ্নিকাণ্ড, সড়ক দুর্ঘটনা ও বিভিন্ন উদ্ধার কার্যক্রমে জরুরি সেবা দিয়ে থাকে ফায়ার সার্ভিস। এমন একটি জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বকেয়া বিলের কারণে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের প্রভাব পড়ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা পাঁচ প্রতিষ্ঠানের মোট বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৪ টাকা।
কুলিয়ারচরের আবাসিক প্রকৌশলী মো. তৌহিদুল হাসানের ভাষ্য, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে। বকেয়া বিল পরিশোধের পর নিয়ম অনুযায়ী সংযোগ পুনঃস্থাপনের ব্যবস্থা করা হবে।





