ভাঙ্গায় সড়কের ওপর ঝুলছে বিশাল বিলবোর্ড, দুর্ঘটনার শঙ্কা

ফরিদপুরের ভাঙ্গা গোলচত্বর ও আশপাশের এলাকায় সড়কের পাশে একের পর এক নির্মাণ করা হচ্ছে বিশাল আকৃতির বিলবোর্ড। এর মধ্যে কয়েকটি স্থাপন করা হয়েছে ফুটপাত ঘেঁষে। শুধু তাই নয়, এসব বিলবোর্ডের ওপরের অংশ ঝুলে রয়েছে মূল সড়কের ওপর। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন পথচারী ও যানবাহন চালকেরা। ঝুঁকি নিয়েই এসব বিলবোর্ডের নিচ দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা গোলচত্বর ও আশপাশের এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩০টি বিলবোর্ড রয়েছে। এসবের বেশির ভাগই সড়কের পাশের খাদে কিংবা বিভিন্ন ভবনের ছাদে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে সম্প্রতি কয়েকটি বিলবোর্ড নির্মাণ করা হয়েছে সড়কের ফুটপাত ঘেঁষে। ফলে বিলবোর্ডগুলোর ওপরের অংশ মূল সড়কের ওপর ঝুলে থাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে ঝুঁকি।
স্থানীয়দের দাবি, কিছুদিন আগে গোলচত্বরসংলগ্ন এলাকায় ঝড়ে দুটি বিলবোর্ড ভেঙে পড়ে। তবে সেগুলো সড়কের পাশের খাদে পড়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু বর্তমানে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা বিলবোর্ডগুলো ঝড়ে ভেঙে পড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা নাঈম বলেন, সড়কের পাশে যেভাবে একের পর এক বিশাল আকৃতির বিলবোর্ড নির্মাণ করা হচ্ছে, তাতে ঝড় হলে সেগুলো ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কোনো বিলবোর্ড সড়কের ওপর পড়ে গেলে পথচারী কিংবা যানবাহনের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
আরেক বাসিন্দা প্রিতম বলেন, কিছুদিন আগে ঝড়ে গোলচত্বরের পাশে দুটি বিলবোর্ড ভেঙে পড়েছিল। সেগুলো রাস্তার পাশের খাদে পড়ায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বর্তমানে ফুটপাত ঘেঁষে নির্মিত বিলবোর্ডগুলোর ওপরের অংশ সড়কের ওপর চলে এসেছে। এগুলো ভেঙে পড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
যানবাহন চালক রিয়াজ বলেন, সড়কের ওপর যেভাবে বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, তাতে এসব সড়ক দিয়ে গাড়ি চালাতে ভয় লাগে। কোনো বিলবোর্ড ভেঙে গাড়ির ওপর পড়লে গাড়ির পাশাপাশি মানুষের প্রাণহানিরও আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেছেন, ভাঙ্গা পৌরসভার আওতাধীন সড়কের পাশে ও বিভিন্ন ভবনের ওপর স্থাপিত বিলবোর্ড থেকে পৌরসভা কর আদায় করে থাকে। তবে কোনো বিলবোর্ড মানুষের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করলে কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



