মৃত্যুর গুজবে থানায় হামলা-ভাঙচুর, সেই রিয়াজ কারাগারে

সংগৃহীত ছবি
যার মৃত্যুর গুজবে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা-ভাঙচুর ও পুলিশকে মারধর করা হয়েছিল, সেই রিয়াজ ফকিরকে (২৬) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল শুক্রবার বিকালে তাকে বরিশালের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। পরে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ আবিদুল হক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
রিয়াজ ফকির আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুল্লশ্রী গ্রামের মো. সিদ্দিক ফকিরের ছেলে।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ওসি মাসুদ খান জানান, গত বুধবার সন্ধ্যায় দোকান চুরির মামলার আসামি হিসেবে রিয়াজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে থানা হাজতে রাখা হয়েছিল। রাত ১১টার দিকে তিনি হাজতখানার গ্রিলে মাথা দিয়ে নিজেই আঘাত করে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তাকে প্রথমে আগৈলঝাড়াস্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ওসি উল্লেখ করেন, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজের গ্রামে তার মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হলে বিকেল ৪টার দিকে দুই থেকে তিনশ নারী-পুরুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে থানায় ঢুকে। তারা কর্তব্যরত এএসআই আব্দুল হালিমসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বেধড়ক মারধর করে আহত করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রিয়াজকে শুক্রবার সুস্থ হওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
আগৈলঝাড়া থানার এএসআই আল-আমিনের ভাষ্য, হাসপাতাল থেকে আদালতে নিয়ে আসার পথেও রিয়াজ নিজের মাথায় নিজে আঘাত করাসহ পুলিশকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়েছে। রিয়াজকে ২০২৫ সালের একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র বলছে, রিয়াজ এলাকায় চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত। এর আগে সে র্যাব ও পুলিশের হাতে মাদকসহ একাধিকবার আটক হয়েছিল এবং তার বিরুদ্ধে তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।




