হামের উপসর্গে শেরপুরে প্রথম শিশুমৃত্যু, দারিদ্র্যে আটকে গেল চিকিৎসা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রথমবারের মতো মারা গেছে সাফুয়াত নামের ৯ মাস বয়সী এক শিশু। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সাফুয়াত ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের মাদারপুর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্র বলছে, টানা তিন দিন ধরে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিল শিশুটি।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে তাকে গুরুতর অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে পরিবার তাকে সেখানে নিতে পারেনি। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
আলোচিত ১০ (১৬ মে ২০২৬)
১৬ মে ২০২৬
সাফুয়াতের বাবা মোজাম্মেল হোসেন জানান, কয়েকদিন ধরে তার সন্তানের জ্বর ও শরীরে ফুসকুড়ি ছিল। হাসপাতালে নেওয়ার পরই তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে নিতে পারেননি।
শিশুটির দাদি মাফুজা বেগম জানান, কয়েকদিন ধরেই সাফুয়াত অসুস্থ ছিল। হাসপাতালে নেওয়ার কিছু সময় পরই সে মারা যায়। তিনি উল্লেখ করেন, সাফুয়াতের বাবা দিনমজুর হিসেবে মাটি কাটার কাজ করেন।
শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী রেজিস্টার ডা. আশরাফুন্নাহার বলছেন, শিশুটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়েছেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত রেফার করেছিলেন।
এদিকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। শনিবার দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালে ৬০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।





