Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সুমির উদ্যোগে ১৯২ নারীর ভাগ্যবদল
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

চাঁদপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পে যোগাযোগ-পানি-বিদ্যুৎ সংকট

শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯
চাঁদপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পে যোগাযোগ-পানি-বিদ্যুৎ সংকট

ছবি: আগামীর সময়

ভূমিহীন মানুষের স্থায়ী আবাসনের জন্য চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছিল ঘর। কিন্তু আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাওয়ার পরও সেখানে থাকতে পারছেন না অনেকে। কোথাও ঘর পড়ে আছে তালাবদ্ধ, কোথাও বসবাসকারী পরিবারের সংখ্যা কমে গেছে। আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের অভিযোগ, পানি, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগের ঘাটতির পাশাপাশি ঘরের জরাজীর্ণ অবস্থাও তাদের চলে যাওয়ার কারণ।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখার তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ৪ হাজার ১৭৩টি পরিবারের জন্য ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ মুজিববর্ষ উপলক্ষে ১১৫টি ঘরসহ বিভিন্ন প্রকল্পে আরও ঘর নির্মাণ ও বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের হামানকদ্দী আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২০২১ সালে ৪০টি ঘর নির্মাণ করে ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই অনেক পরিবার ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। বর্তমানে সেখানে ১০-১২টি পরিবার বসবাস করছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

সেখানকার বাসিন্দারা বলছেন, আশ্রয়ণের ঘরে থাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা জীবিকার অভাব। আশপাশে কাজের সুযোগ কম, বাজার ও প্রয়োজনীয় সেবা দূরে। এর সঙ্গে রয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট, দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা ও ঘরের বিভিন্ন অংশের জরাজীর্ণ অবস্থা। এসব কারণে ঘর পেয়েও অনেক পরিবার সেখানে টিকে থাকতে পারছে না।

হামানকদ্দী আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা পাখি বেগমের ভাষায়, ঘর পাওয়ার পর তাদের আর খোঁজ নেওয়া হয়নি। এক বছরের মধ্যেই ঘরের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। বৃষ্টি হলে চাল দিয়ে পানি পড়ে, দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ে। ঘরের সামনে পানি জমে এবং সাপের উপদ্রবও রয়েছে। এসব কারণে সেখানে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

একই আশ্রয়ণ প্রকল্পের হোসনে আরার অভিজ্ঞতাও প্রায় একই। তিনি বলেছেন, ‘ঘর পেয়ে প্রথমে খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু পরে দেখি দোকান-বাজার অনেক দূরে।
কাজের সুযোগও কম। অসুস্থতাও লেগে থাকে। তাই অনেকে ঘরে তালা দিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন।’

শুধু হামানকদ্দী নয়, সদর, হাইমচর ও মতলব উত্তরের চরাঞ্চলের বিভিন্ন আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। নদী ও চরাঞ্চলে নির্মিত এসব প্রকল্পের কোথাও যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল, কোথাও নিরাপদ পানি ও বিদ্যুতের সংকট। ফলে প্রকল্পে ঘর থাকলেও স্বাভাবিক জীবনযাপন ও জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়ছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা মনে করেন, শুধু ঘর নির্মাণ করলেই পুনর্বাসন নিশ্চিত হয় না। প্রকল্প
বাস্তবায়নের আগে সম্ভাব্যতা যাচাই, যোগাযোগ, পানি, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের বিষয়গুলো বিবেচনা করা জরুরি ছিল। সরকারি অর্থে নির্মিত ঘর পরিত্যক্ত না হয়, সেজন্য প্রকল্পগুলো পুনর্মূল্যায়ন এবং অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

চাঁদপুরবিদ্যুৎসংকট
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    জন্মদিনে পপি ‘নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়েছি’

    জন্মদিনে পপি ‘নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়েছি’

    ইরানের নিশানায় জর্ডানের আল-আজরাক, ঘাঁটিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    ইরানের নিশানায় জর্ডানের আল-আজরাক, ঘাঁটিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

    র‌্যাব বিলুপ্ত, সরকারি আদেশের অপেক্ষায় এসআরবি

    র‌্যাব বিলুপ্ত, সরকারি আদেশের অপেক্ষায় এসআরবি

    ‘একজন ফ্যাসিস্টের দোসর আরেকজন লালবদর, অথচ সবার পরিচয় ছিল শিল্পী’

    ‘একজন ফ্যাসিস্টের দোসর আরেকজন লালবদর, অথচ সবার পরিচয় ছিল শিল্পী’

    ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতি, পলিটিক্স, গ্রুপিং, সিন্ডিকেট ও লবিং অনেক বেশি: স্বাগতা

    ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতি, পলিটিক্স, গ্রুপিং, সিন্ডিকেট ও লবিং অনেক বেশি: স্বাগতা

    ২ কেজি ৭০০ গ্রামের ইলিশ, বিক্রি ১৬ হাজারে

    ২ কেজি ৭০০ গ্রামের ইলিশ, বিক্রি ১৬ হাজারে

    লং মার্চ সংকটের সমাধান দিলে তা বিএনপিই করত: তারেক রহমান

    লং মার্চ সংকটের সমাধান দিলে তা বিএনপিই করত: তারেক রহমান

    এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় ৩ আসামির স্বীকারোক্তি

    এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় ৩ আসামির স্বীকারোক্তি

    বাংলাদেশ-ভারত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল অনিশ্চিত

    বাংলাদেশ-ভারত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল অনিশ্চিত

    মায়ের শেষকৃত্যে অঝোরে কাঁদলেন চিন্ময়

    মায়ের শেষকৃত্যে অঝোরে কাঁদলেন চিন্ময়

    মেঘমল্লার বসুর দরকার একজন প্রকৃত বন্ধুর বিশ্বস্ত হাত: প্রিন্স মাহমুদ

    মেঘমল্লার বসুর দরকার একজন প্রকৃত বন্ধুর বিশ্বস্ত হাত: প্রিন্স মাহমুদ

    শির দিল্লি সফরে কূটনৈতিক বরফ গললেও ব্যবসায়িক সম্পর্কে অবিশ্বাস কি ভাঙবে

    শির দিল্লি সফরে কূটনৈতিক বরফ গললেও ব্যবসায়িক সম্পর্কে অবিশ্বাস কি ভাঙবে

    আফগান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের নির্দেশ পাকিস্তানের

    আফগান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের নির্দেশ পাকিস্তানের