তুচ্ছ ঘটনায় রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

ছবি: আগামীর সময়
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয়পক্ষের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বরুনা এলাকায় ঘটে এমন ঘটনা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১০দিন আগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সাইট দেওয়া নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের ভাই আমিন হোসেনের সঙ্গে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন খাঁর তর্ক হয়। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন খাঁ রূপগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করেন।
বিরোধ মীমাংসার জন্য আজ সোমবার বরুনা এলাকায় সালিশ বৈঠকের আয়োজন বসে। বৈঠকে আমিন হোসেনের পক্ষে তার ভাই রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে বিল্লাল হোসেন খাঁও তার সমর্থকদের নিয়ে সেখানে যান।
সালিশ চলাকালে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয়পক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষের সময় একপক্ষ আরেকপক্ষের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং লুটপাট করে। আহতদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বললেন, বিল্লাল হোসেন খাঁ ও তার লোকজন পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ, ভাঙচুর এবং লুটপাট করেছে।
অন্যদিকে বিল্লাল হোসেন খাঁ পাল্টা অভিযোগ করে দাবি করেন, রফিকুল ইসলামের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




