মাদারীপুর
গ্রিল ভেঙে পালালেন নারী আসামি, দুই পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী কার্যালয় থেকে পুলিশ হেফাজতে থাকা এক নারী আসামি গ্রিল ভেঙে পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ডিউটি অফিসারসহ দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবিবুর রহমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পালিয়ে যাওয়া হাসিনা বেগম মাদারীপুর পৌরসভার থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসিনা বেগমকে আটক করেন সদর মডেল থানাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান। পরে তাকে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সদর মডেল থানার মূল ভবনের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় বর্তমানে অস্থায়ীভাবে সদর থানার ওসি বাসভবনের নিচতলায় থানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে আসামিদের জন্য কোনো হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছিল হাসিনা বেগমকে। রাত দেড়টার দিকে কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান তিনি।
শুক্রবার বিষয়টি জানাজানি হলে জেলার পুলিশ সুপার দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক ও রাতের ডিউটি অফিসার রমজান আলী সজল, নারী কনস্টেবল ফাতেমাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করেন।
এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, অস্থায়ী কার্যালয়ের বারান্দায় রাখা আসামি গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




