ঈশ্বরদী
স্কুল কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরির আঘাতে আহত ১

ছবি: আগামীর সময়
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরির আঘাতে শাহিনুর ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরকুড়ুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শাহিনুর ইসলাম চরগড়গড়ি গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে এবং পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক মজনু প্রামানিকের ভাতিজা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার চর কুড়ুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে ভোটগ্রহণ চলছিল। এতে সভাপতি পদে কামাল হোসেন, আরিফ আহমেদ, শিপুল প্রামাণিক ও তৃপ্তি বেগম নামে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোট গণনা শেষে ১০ ভোট পেয়ে তৃপ্তি বেগম বিজয়ী হন। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শিপুলসহ তার সমর্থকরা তৃপ্তি বেগম ও তার সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ সময় শিপুলের সমর্থকদের ছুরিকাঘাতে তৃপ্তি বেগমের ভাতিজা শাহিনুর ইসলাম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। অভিযুক্ত শিপুল প্রামানিক এলাকায় সাইদুল প্রামানিকের ছেলে।
আহত শাহিনুর ইসলামের চাচা ও সভাপতি প্রার্থী তৃপ্তি বেগমের স্বামী মজনু প্রামানিক জানালেন, বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি প্রার্থী নির্বাচনে তার স্ত্রী তৃপ্তি বেগম নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শিপুল মাত্র ২ ভোট পেয়েছেন। ভোটে পরাজিত হয়ে শিপুলের নির্দেশে তার সমর্থকরা ভাতিজা শাহিনুরকে ছুরিকাঘাত করেছে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিপুল প্রামানিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর থেকে চরকুড়ুলিয়া এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঈশ্বরদী থানার ওসি আশাদুর রহমান জানালেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ছুরিকাঘাতে একজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।






