Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর সেবাই সালমানের নেশা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

মেশিন অচল বন্ধ হৃদরোগের পরীক্ষা

তামজিদ হাসান তুরাগ, কুড়িগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ২১:৩১
মেশিন অচল বন্ধ হৃদরোগের পরীক্ষা

হৃদরোগ দেশের অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। অথচ কুড়িগ্রামের প্রায় ২৩ লাখ মানুষের জন্য সরকারি ব্যবস্থায় হৃদরোগ নির্ণয়ের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় দুটি পরীক্ষা ইকোকার্ডিওগ্রাফি (ইকো) ও এক্সারসাইজ ট্রেডমিল টেস্ট (ইটিটি) কার্যত অচল। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দুজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, চারজন টেকনিশিয়ান ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকলেও দুই বছর আট মাস ধরে ব্যবহার হচ্ছে না মেশিন দুটি। রোগীদের বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে বাড়তি খরচে করাতে হচ্ছে পরীক্ষা। সরকারি হাসপাতালে যে পরীক্ষার ফি প্রায় ২০০ টাকা, তা বাইরে করতে লাগছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা।

হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, নতুন ভবনের নিচতলায় ইকো ও ইটিটি কক্ষ তালাবদ্ধ। পাশেই এক্স-রে বিভাগে রোগীদের ভিড়; কিন্তু হৃদরোগ নির্ণয়ের কক্ষ দুটি নীরব। দায়িত্বপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ানদের দেখা গেছে অন্য বিভাগে কাজ করতে। হাসপাতালের পঞ্চম তলায় কার্ডিওলজি বিভাগে নিয়মিত রোগী ভর্তি হলেও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা না হওয়ায় চিকিৎসকরা তাদের বাইরে পাঠাচ্ছেন।

এ পরিস্থিতির শুরু ২০২৩ সালে। ওই বছর আধুনিক হৃদরোগ নির্ণয় সেবা চালুর লক্ষ্যে হাসপাতালে ইকোকার্ডিওগ্রাফি মেশিন চালু করা হয়; কিন্তু চালুর প্রায় এক মাসের মাথায় পাসওয়ার্ড-সংক্রান্ত জটিলতায় বন্ধ হয়ে যায় সেটি। এরপর বারবার যোগাযোগ করেও মেশিন সচল করা সম্ভব হয়নি। একইভাবে ইটিটি মেশিনও পড়ে রয়েছে ব্যবহারহীন অবস্থায়। ফলে জেলার সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় হৃদরোগ নির্ণয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর।

এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে রোগীদের ওপর। হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ১৫-২০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। বহির্বিভাগে হৃদরোগের লক্ষণ নিয়ে আসে আরও অন্তত ৫০ জন। তাদের উল্লেখযোগ্য অংশেরই ইকোকার্ডিওগ্রাফি প্রয়োজন পড়ে; কিন্তু হাসপাতাল থেকে সে সেবা না পেয়ে সবাইকে যেতে হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে।

উলিপুর উপজেলার কাশেম মিয়া বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে দুবার ইকোকার্ডিওগ্রাফি করাতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৯০০ টাকা। চিকিৎসক তাকে আরও একটি পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন। ‘হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি; কিন্তু পরীক্ষা সব করতে হয় বাইরে। বয়স হয়েছে, ওঠানামা করতেও কষ্ট হয়। তার ওপর এত টাকা খরচ করা খুব কঠিন’— বললেন কাশেম মিয়া।

একই অবস্থা কমল কান্তের। বুকে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হওয়া এই রোগীকেও চিকিৎসকরা ইকো করার পরামর্শ দিয়েছেন; কিন্তু আর্থিক সংকটে পরীক্ষা করাতে পারেননি এখনো তিনি।

শুধু ভর্তি রোগী নয়, দীর্ঘদিনের হৃদরোগীরাও একই সমস্যায় পড়ছে। পঞ্চাশোর্ধ্ব মাহফুজার রহমান রাজু বললেন, ‘প্রতিবার বুকে ব্যথা বাড়লে ইকো করাতে হয়। সরকারি হাসপাতালে সুযোগ না থাকায় বারবার যেতে হয় বাইরে। আমরা কম খরচে সরকারি সেবা চাই।’

চিকিৎসকদের ভাষ্য, প্রয়োজনীয় জনবল থাকলেও যন্ত্র অচল থাকায় তাদের হাত-পা বাঁধা। কার্ডিওলজি বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. সাজ্জাদুর রহমানের ভাষায়, ‘কার্ডিওলজি বিভাগে রয়েছেন দুজন চিকিৎসক ও চারজন টেকনিশিয়ান। কিন্তু হৃদরোগ নির্ণয় যন্ত্র অচল থাকায় পরীক্ষা করতে পারছি না রোগীদের। মেশিন চালু হলে রোগীদের ভোগান্তি ও খরচ— দুটিই কমবে।’

হৃদরোগীরা বলছেন, জনবল, অবকাঠামো ও যন্ত্র থাকার পরও কেন বছরের পর বছর একটি জেলার মানুষ সরকারি হাসপাতালে হৃদরোগ নির্ণয়ের মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত থাকবেন? মাত্র একটি কারিগরি সমস্যার সমাধান না হওয়ায় যদি ২৩ লাখ মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হয়, তবে সেটি শুধু একটি যন্ত্রের অচলাবস্থা নয়; এটি সরকারি স্বাস্থ্যসেবার জবাবদিহি ও সমন্বয়েরও বড় ঘাটতির প্রতিচ্ছবি।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নিসর্গ মেরাজ চৌধুরী। তার বক্তব্য, ‘আমরা কয়েকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। চিঠিও দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বন্ধ থাকা এন্ডোস্কোপি মেশিন চালু করতে পেরেছি।’ ইকো ও ইটিটি মেশিনও দ্রুত চালু করা সম্ভব হবে— আশা করেন তিনি।

হৃদরোগঅচলপরীক্ষাইকোতালাবদ্ধসারাদেশ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া