দাউদকান্দি বিএনপির কাউন্সিল ১ আগস্ট, অংশগ্রহণের আহ্বান ড. মারুফের

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল আগামী ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। শহীদনগর এম এ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠেয় এ কাউন্সিলে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিয়ন কমিটির ৭১ জন সদস্য কাউন্সিলর হিসেবে ভোট দেবেন। তাদের প্রত্যক্ষ ভোটে উপজেলা বিএনপির নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন এক প্রতিক্রিয়ায় কাউন্সিলরদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বললেন, ‘ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন গণতান্ত্রিক চর্চার গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং বিএনপি এ ধরনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসী।’
ড. খন্দকার মারুফ বললেন, ‘দলের গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে তৃণমূলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই কাউন্সিলের আয়োজন। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে কাউন্সিল সম্পন্ন হবে।’
এদিকে কাউন্সিলকে সামনে রেখে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা করছেন। ভোটারদের সমর্থন পেতে তারা মাঠপর্যায়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি জানিয়েছে, আগামী ১ আগস্ট দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ জুলফিকার আলম শিমুলকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আক্তারুজ্জামান সরকার ও সদস্য সচিব এ.এফ.এম. তারেক মুন্সী কমিশনটির অনুমোদন দেন। নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা প্রকাশ, মনোনয়নপত্র বিক্রি ও গ্রহণ, বাছাই, প্রত্যাহার এবং প্রতীক বরাদ্দসহ নির্বাচন-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
কাউন্সিলকে ঘিরে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। বিভিন্ন হাট-বাজার, সড়কের মোড় ও চায়ের দোকানে কাউন্সিল নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কারা নির্বাচিত হবেন, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে নেতাকর্মীদের মধ্যে। এ দুটি পদে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী প্রচারণা চালাচ্ছেন।
দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিয়ন বিএনপির ৭১ জন সদস্য কাউন্সিলর হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তৃণমূলের কয়েকজন নেতা বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ায় তারা নিজেদের মূল্যায়িত মনে করছেন। তাদের ভাষ্য, কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের যোগাযোগ বেড়েছে এবং এতে সংগঠনের কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে বলে তারা আশা করছেন।




