Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ বছর ধরে বর্জ্যমুক্ত রাখছেন রাস্তা-বাজার
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

প্রান্তিক বাজেট ২০২৬-২৭ প্রতিক্রিয়া

শিক্ষকদের আর্থিক বৈষম্য নিরসন চাই

খালিদ হোসেন সুমন, নবাবগঞ্জ (ঢাকা)
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:৩৮
শিক্ষকদের আর্থিক বৈষম্য নিরসন চাই

শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আর্থিক সংকট ও বৈষম্যের বিষয়টি এখনো উপেক্ষিত। বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা ও অবসর সুবিধাসহ বিভিন্ন দাবির বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাড়ছে অসন্তোষ। বাজেট-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় এমনটিই জানালেন নবাবগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শাহ আলম।

শিক্ষার গুণগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই— মনে করেন কলাকোপা কোকিল প্যারী উচ্চ বিদ্যালয়ের এই প্রধান শিক্ষক। তার মতে, শিক্ষকদের বৈষম্য দূর করাই হতে পারে শিক্ষা সংস্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, বরাদ্দের একটি বড় অংশ সবসময় ব্যয় হয়নি প্রয়োজনীয় খাতে। শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা নিয়ে বাজেটে স্পষ্ট দিকনির্দেশনার অভাব রয়েছে বলেও মনে করেন শাহ আলম।

তিনি বলেছেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি হলো বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা, উৎসব ও শিক্ষা ভাতা বৃদ্ধি। কিন্তু এবারের বাজেটে পাওয়া যায়নি এসব বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ঘোষণা।’

শাহ আলমের মতে, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিবর্তে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার গুণগত উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তার ভাষায়, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই উন্নত হয় না শিক্ষার মান। শিক্ষার মূল বিষয় হচ্ছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পাঠদানের মানোন্নয়ন। কারিগরি শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সময় সরকার এ খাতকে অগ্রাধিকার দিলেও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি কর্মসংস্থানমুখী ও কার্যকর কারিগরি শিক্ষা।’

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষার বর্তমান কাঠামোর কথা উল্লেখ করেন। ‘যত্রতত্র প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে মাদ্রাসা। অনেক প্রতিষ্ঠানে নেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষার্থী। কোথাও কোথাও নেই একজন শিক্ষার্থীও। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে ব্যয় হচ্ছে সরকারের’— যোগ করেন এই শিক্ষক নেতা।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন শাহ আলম। তিনি বললেন, ‘দেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়া ও পরিচালনার ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষকদের সৃজনশীলতা ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার স্বাধীনতা।’

তার ভাষায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনায় আরও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার মান বাড়ানো সম্ভব।

বাজেট নিয়ে নিজের মূল্যায়নের শেষদিকে তিনি বলেছেন, ‘সরকার যদি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনায় নেয় এবং শিক্ষা খাতে বরাদ্দের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’

শিক্ষা খাতএমপিওভুক্তবৈষম্যবাজেটপ্রতিক্রিয়া
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬  কর্মকর্তার

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬ কর্মকর্তার

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    ৩৮ দিনের সাইকেল যাত্রায় এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

    ৩৮ দিনের সাইকেল যাত্রায় এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়