মিস ও ডিসইনফরমেশন বিরোধী দলের হাতিয়ার: এমরান সালেহ প্রিন্স

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া বাজারে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন এমরান সালেহ প্রিন্স
‘মিস ও ডিসইনফরমেশন’ বিরোধী দলের রাজনীতির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
তিনি অভিযোগ করে বললেন, ‘বিরোধী দলীয় নেতাসহ জামায়াত-এনসিপি জোটের নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।’
একই সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ অনলাইন-অফলাইনে গুজব ছড়ানো ও নাশকতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করলেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া বাজারে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলছিলেন তিনি।
সমাবেশ শেষে প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা এবং বিরোধী দলের লাগামহীন বক্তব্যের প্রতিবাদে উপজেলা বিএনপি এ কর্মসূচি পালন করে।
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বেতন-ভাতা বাড়ানো নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের বক্তব্যের প্রসঙ্গে এমরান সালেহ প্রিন্স বললেন, ‘সরকার এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্তই নেয়নি। তাই কাল্পনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আগাম আন্দোলনের ঘোষণা জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা।’
তিনি বললেন, ‘রাজনীতি হতে হবে সত্য ও তথ্যনির্ভর; কাল্পনিক বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজপথে কর্মসূচি দেওয়া দায়িত্বশীল রাজনীতির পরিচয় নয়।’
তিনি বিরোধী দলের প্রতি গঠন মূলক সমালোচনা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারের সাত মাসের মধ্যেই পদত্যাগের দাবি তোলাকে রাজনৈতিক অপরিপক্বতা হিসেবে উল্লেখ করলেন।
নাশকতার বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বললেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নাশকতা ও সন্ত্রাসে যুক্ত হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তি দেশকে আবার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’
জ্বালানি তেলের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তিনি বললেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিতিশীলতা এবং পার্শ্ববর্তী দেশে জ্বালানি তেলের দামের পার্থক্যের কারণে সম্ভাব্য পাচার ঠেকাতে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম কাজল।
মিছিল-পূর্ব সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আনিসুর রহমান মানিক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের , উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন খান লিটন, ফরহাদ রব্বানী সুমন, হাবিবুর রহমান হাবিব, আব্দুল ওয়াহের তালুকদার, আব্দুল কুদ্দুস, চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর, সোলায়মান সরকার, আব্দুল মোমেন শাহিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।



