শিল্প ব্যবস্থাপনায় সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে জাতীয় চা দিবস আজ

ছবি: আগামীর সময়
চা শিল্পের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং চা শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্ব দিয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আজ শনিবার পালিত হচ্ছে ৬ষ্ঠ জাতীয় চা দিবস-২০২৬।
বাংলাদেশ চা বোর্ড আয়োজিত এ বছরের দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘চা শিল্পের উন্নতি, সবুজ হোক অর্থনীতি’।
এ উপলক্ষে শ্রীমঙ্গল পৌর শহরের ভানুগাছ সড়কের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম মাঠে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এতে সভাপতিত্ব করবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, এনডিসি। প্রধান অতিথি হিসেবে বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে দেশের চা শিল্পের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। পরে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা।
দিবসের অন্যতম আকর্ষণ ‘জাতীয় চা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান। চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আটটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি এবার প্রথমবারের মতো ‘শ্রেষ্ঠ বটলিফ চা কারখানা’ বিভাগেও দেওয়া হবে বিশেষ পুরস্কার।
জাতীয় চা পুরস্কার নীতিমালা-২০২২ অনুযায়ী একরপ্রতি সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শ্রী গোবিন্দপুর চা বাগান।
দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় চা প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণে দিনব্যাপী চা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে চা উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে দর্শনার্থীরা ধারণা নিতে পারবেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। প্রায় ১৮০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হয় ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে। এরপর থেকে দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে চা শিল্প নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রয়েছে।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ১৭২টি চা বাগান রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের সমতল ভূমিতেও চা চাষের পরিধি ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা এ খাতের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।




