প্রতিমন্ত্রী নুর
বিরোধী দলের বন্ধুরা এই মুহূর্তে আন্দোলনে গেলে দেশের ক্ষতি হবে

ছবি: আগামীর সময়
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকার ও বিরোধী দলের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। এই যে বর্তমানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, এটা তো জাতীয় সংকট। গত ছয় মাসে সরকার কিন্তু জটিলতা তৈরি করেনি। সেক্ষেত্রে পলিসিগত আলাপ-আলোচনা বাদ দিয়ে যদি বিরোধী দলের বন্ধুরা আন্দোলন-সংগ্রামের নামে, দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে, তবে দেশ কিন্তু বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
তিন দিনের সফর শেষে ঢাকায় যাওয়ার পথে আজ রবিবার দুপুরে নির্মীয়মাণ পটুয়াখালী ইপিজেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
আগামী পাঁচ বছর দেশকে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, '৭৫-পরবর্তী সময়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেভাবে গ্রাম থেকে গ্রামে ঘুরে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে রাষ্ট্র বিনির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তারই উত্তরসূরি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দল-মত-নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছেন।
বর্তমান সরকারের প্রশংসা তুলে ধরে নুরুল হক নুর বলেন, আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারত নির্ভরশীলতা ছিল। সেখান থেকে সরকার শক্তভাবে সরে এসেছে। এখন বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে তার পররাষ্ট্রনীতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
এই সরকারের কোনো প্রকল্পে অতীতের মতো পুকুরচুরি, সাগরচুরির মতো দুর্নীতির সুযোগ নেই বলে যুক্ত করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২৫ টাকা প্রতি ইউনিট ধরে বিদ্যুৎ কেনা প্রসঙ্গে নুর জানান, আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২৫ টাকা প্রতি ইউনিটে খরচ ধরা হয়েছে। সেখানে ৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এটা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে লিখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই করে লেখা উচিত।
এ সময় ইপিজেডের দায়িত্বপ্রাপ্ত পিডি মো. মাজেদুর রহমান খানসহ প্রশাসন ও জেলা গণঅধিকার পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




