টেকনাফে ভেসে এলো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ

উদ্ধার করা মরদেহ— সংগৃহীত
কক্সবাজারে সাগর থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সমুদ্রে দীর্ঘ সময় ভেসে থাকার কারণে মরদেহটির চেহারা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয়দের ধারণা, শুক্রবার গোলারচর এলাকায় ডুবে যাওয়া রোহিঙ্গাবাহী ট্রলারের নিখোঁজ যাত্রীদের একজন হতে পারেন তিনি।
আজ শনিবার বিকাল ৫টার দিকে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপের দক্ষিণপাড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন বেড়িবাঁধের কংক্রিটের ব্লকে মরদেহটি আটকে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
শাহপরীরদ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) সনজীব বলেছেন, ‘দীর্ঘ সময় সাগরের পানিতে থাকায় মরদেহটির বিভিন্ন অংশে পচন ধরতে শুরু করেছে এবং চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে। মৃত ব্যক্তির মুখে হালকা দাড়ি-গোঁফ রয়েছে। তিনি বিবস্ত্র অবস্থায় ছিলেন। পানির প্রভাবে শরীরের ত্বকের রঙ পরিবর্তিত হয়েছে। পাশাপাশি সিসি ব্লকের সঙ্গে ধাক্কা লাগার কারণে শরীরের কয়েকটি স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তার শারীরিক গঠন বিবেচনায় বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছর হতে পারে।
এদিকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি শুক্রবারের ট্রলারডুবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের ভাষ্য, শুক্রবার সকালে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ সংলগ্ন গোলারচর এলাকায় রোহিঙ্গাবাহী একটি ট্রলার ডুবে যায়। ওই ঘটনায় ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও এখনও ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। সাগরের স্রোতে নিখোঁজদের কারও মরদেহ ভেসে এসে শাহপরীরদ্বীপ উপকূলে আটকে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা।
তবে ওসি সাইফুল ইসলামের ভাষ্য, নিখোঁজ ট্রলারযাত্রীদের তালিকা, স্বজনদের তথ্য এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত ছাড়া উদ্ধার হওয়া মরদেহটির সঙ্গে ট্রলারডুবির ঘটনার সম্পর্ক নিশ্চিত করে বলার সুযোগ নেই। তাই পরিচয় শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি রহস্যই থেকে যাচ্ছে।







