তোফায়েল আহমেদের দাফনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দুপুরে দ্বিতীয় জানাজা

ছবি: আগামীর সময়
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদকে তার গ্রামের বাড়িতে মা-বাবার কবরের পাশে দাফন করা হবে। এরই মধ্যে আজ সকাল থেকে তার কবর খননসহ যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছেন তার গ্ৰামের মানুষ।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলায় আনা হবে। প্রথমে মরদেহ নেওয়া হবে শহরের কালীনাথ রায়ের বাজারে তার শ্বশুরবাড়িতে। ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জোহরের নামাজ শেষে দুপুর ২টায় তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েলের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়াতে। সেখানে মসজিদ প্রাঙ্গণের মাঠে মরহুমের তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
এদিকে ভোলার মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন হেলিপ্যাডে অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে। সেখানে জড়ো হতে শুরু করেছেন লোকজন।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্ম নেন তোফায়েল আহমেদ। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে ইতিহাসে স্থান করে নেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা আন্দোলন ও দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই নেতা। ১৯৭০-এর ৭ জুন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে ভোলার দৌলত খাঁ-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।





