তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ গ্রামবাসী

তোফায়েল আহমেদের গ্রামের বাড়ি
ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোরালিয়া গ্রাম যেন শোকে স্তব্ধ। এই গ্রামের সন্তান মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ।
আজ বিকেলে তার মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভিড় জমে তার বাড়িতে। প্রিয় নেতাকে হারানোর বেদনায় অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কেউ কেউ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, তোফায়েল আহমেদ শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, ভোলার মানুষের আস্থার প্রতীক ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে যোহরের নামাজের পর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে দক্ষিণ দিঘলদীতে পারিবারিক কবরস্থানে তার মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোরালিয়া গ্রামের বাড়িসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তার বাড়িতে ভিড় জমান। প্রিয় এ ব্যক্তিত্বকে হারানোর বেদনায় অনেকেই বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। কেউ কেউ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তোফায়েল আহমেদ শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন ভোলার মানুষের অভিভাবক। দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ভোলার উন্নয়নে তার অবদান মানুষ দীর্ঘদিন স্মরণ করবে। যে কোনো দুর্যোগ ও সংকটে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। তাকে দিয়েই ভোলার পরিচিতি।গ্রামের প্রবীণরা বলেছেন, জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও নিজের জন্মভূমি ও এলাকার মানুষের সঙ্গে তার ছিল গভীর সম্পর্ক। সুযোগ পেলেই তিনি গ্রামের বাড়িতে আসতেন এবং স্থানীয়দের খোঁজখবর নিতেন। তার মৃত্যুতে ভোলাবাসী একজন অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় নেতা হারালো।






